এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নাইসেডে টেস্ট করালে বেশি পজিটিভ রিপোর্ট! নমুনা পাঠানোর সংখ্যা অস্বাভাবিক কমিয়ে দিল রাজ্য!

নাইসেডে টেস্ট করালে বেশি পজিটিভ রিপোর্ট! নমুনা পাঠানোর সংখ্যা অস্বাভাবিক কমিয়ে দিল রাজ্য!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – লালারসের স্যাম্পেল পরীক্ষায় অধিকসংখ্যক পজিটিভ কেস মেলায় করোনা নির্ণয়ে ব্যবহৃত কোবাস ৮৮০০ যন্ত্রের দক্ষতার প্রতি সন্দেহ প্রকাশ করে আইসিএমআর-নাইসেড কর্তৃপক্ষকে রাজ্য স্বাস্থ দপ্তরের পক্ষ থেকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। কোবাস ৮৮০০ যন্ত্রের কার্যকারিতা সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করে রাজ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, ” কোবাসে গন্ডগোল হচ্ছে বলেই মনে করি। একসময় রাজ্যের বেসরকারি ল্যাবগুলিতেও মোট নমুনা পরীক্ষার ৩০ শতাংশ পজ়িটিভ আসছিল। প্রতি দশ জনে তিনজন পজ়িটিভ হওয়ার মতো সংক্রমণের হার আমাদের রাজ্যে নেই। অন্য কোনও ল্যাবে যখন এই সমস্যা নেই তার মানে কিটে সমস্যা রয়েছে।’’

কিন্তু এ প্রসঙ্গে নাইসেডের পক্ষ থেকে রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেয়া হয় যে, রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের এই সন্দেহ একেবারেই ভিত্তিহীন। এ প্রসঙ্গে নাইসেড অধিকর্ত্রী শান্তা দত্ত জানান, ” ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির কিট’কে গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড ধরে যন্ত্রটি আইসিএমআর ভ্যালিডেট করেছে। দক্ষতার মাপকাঠিতে সেই ম্যাচিং ছিল একশো শতাংশ। তাই কোবাসে কোনও সমস্যা নেই।’’

এভাবে দু’পক্ষের মধ্যে পত্রবিনিময় চলার পর থেকে রাজ্য সরকার নাইসেডে লালারসের স্যাম্পেল পাঠানোর পরিমান ব্যাপকভাবে কমিয়ে দিয়েছে নাইসেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় গবেষণা সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পূর্বে কলকাতার বেশ কিছু হাসপাতাল, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, সেই সঙ্গে হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান প্রতিদিন ১০০০ এরও বেশি নমুনা নাইসেডে আসত পরীক্ষার জন্য।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এরপর গত ৯ ই সেপ্টেম্বর কোবাস ৮৮০০ যন্ত্র রাজ্যে চালু হলে করোনা পরীক্ষার পরিমান বৃদ্ধি পায়। গত, ৯ ই সেপ্টেম্বর নাইসেডে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় ১৪৫২টি নমুনা, যার মধ্যে ৩৪৫ টি পসিটিভ। অর্থাৎ, ২৩.৭৬ % পসিটিভ। ১২ ই সেপ্টেম্বর নাইসেডে আসে ১৩৯৮টি নমুনা যার মধ্যে পসিটিভ ছিল ৩৭৯ টি। ২৭.১১ % পসিটিভ। এরপর ১৩ ই সেপ্টেম্বর নাইসেডে আসা মোট ১১৫৭ টি নমুনার মধ্যে ৩৬৬ টি ছিল পসিটিভ। অর্থাৎ, ৩১.৬৩ % পসিটিভ।

কিন্তু এরপর থেকেই নাইসেডে এই জেলাগুলো থেকে পাঠানো নমুনার সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমতে থাকে ক্রমশ। গত ১৬ ই সেপ্টেম্বর মাত্র ৬৭ টি নমুনা আসে। পরবর্তী চার দিন নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৮১, ৭৫, ৭৪ ও ২০। নাইসেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গত ১৭ ই সেপ্টেম্বর এই চারটি জেলা থেকে একটি নমুনাও আসেনি। তার পরদিন অর্থাৎ ১৮ ই সেপ্টেম্বর হুগলি জেলা থেকে মাত্র ৬ নমুনা এসেছিল, আর মোট নমুনা এসেছিল ৭৫ টি।

এ বিষয়ে রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের শীর্ষ কর্তাদের একাংশ জানিয়েছেন, কোবাস ৮৮০০ যন্ত্র করোনা ভাইরাস চিহ্নিত করণে অনেক বেশি স্পর্শকাতর বলে তাঁদের অনুমান। এ কারণেই এ বিষয়টি স্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল নাইসেডকে। আবার নাইসেডের কিছু আধিকারিক জানিয়েছেন যে, স্বাস্থ দপ্তরের অনুরোধে প্রথমে কম কেস তাঁরা পোর্টালে তোলেন কিন্তু পরে পোর্টালে দৈনিক কেসের পরিমান ব্যাপক বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাস্থভবনের সঙ্গে তাদের বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!