এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > আমপান দুর্নীতিতে খড়্গহস্ত মুখ্যমন্ত্রী! একযোগে শাস্তির মুখে ৫ প্রভাবশালী! সরগরম রাজ্য

আমপান দুর্নীতিতে খড়্গহস্ত মুখ্যমন্ত্রী! একযোগে শাস্তির মুখে ৫ প্রভাবশালী! সরগরম রাজ্য



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – 2021 এর বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে শাসকদলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শুরু ততই চড়াচ্ছে বিরোধীরা। করোনা পরিস্থিতিতে রেশনিং দুর্নীতি থেকে শুরু করে পরবর্তী সময়ে আমফান এর জন্য ত্রাণ বিলি করা থেকে সবকিছুতেই বিরোধীরা আওয়াজ উঠিয়েছে শাসকদলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে। অন্যদিকে সম্প্রতি বেশ কিছু জায়গায় রাজ্যের আমফান পরবর্তী সময়ে ত্রাণ বিলি নিয়ে বেশ কিছু সরকারি প্রভাবশালী আধিকারিকদের নাম সামনে আসে‌।

এবার তাঁদের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার শোকজ জারি করলো বলে জানা গেছে। বরাবরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব থেকেছেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, তাঁর দলের বহু নেতাকর্মী, সমর্থকের নাম দুর্নীতির অভিযোগে সামনে এসেছে। অন্যদিকে আমফান পরবর্তী ত্রাণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, রাজ্যের সহায়-সম্বলহীন মানুষজন ত্রাণ থেকে যেন কোনোমতেই বঞ্চিত না হয়। কিন্তু তারপরেও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমপানের টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে।

আর তারপরেই রাজ্যের চার জেলার পাঁচ ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারের বিরুদ্ধে শোকজ জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। কারণ হিসাবে জানা গেছে, এদের প্রত্যেকেই পরবর্তী সময়ে ত্রাণ বিলি নিয়ে চূড়ান্ত অসঙ্গতি প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, আমফান ক্ষতিগ্রস্থদের ত্রাণ এবং আর্থিক সাহায্য নিয়ে যদি কোনরকম কারচুপির প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে তা আগেই বলা হয়েছিল সরকারীভাবে।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

অতএব যেই মুহূর্তে 5 বিডিওর বিরুদ্ধে প্রমাণ ধরা পড়েছে, সেই মুহূর্তে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু হয়েছে বলে খবর। জানা গেছে, উত্তর ও দক্ষিণ 24 পরগনা, হুগলি এবং হাওড়া জেলার পাঁচ বিডিওকে শোকজ করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, তাঁদের উত্তরে যদি কোনরকম গাফিলতি ধরা পড়ে, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে আরও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে এদিন নবান্ন থেকে এক সরকারি আমলা জানিয়েছেন, সরকারের কাছে বর্তমানে এমন অনেক অভিযোগ জমা পড়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে, অনেক ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ সরকারের ত্রাণ পাননি।

তিনি আরও জানিয়েছেন, বরং যাঁদের বাড়ি কিংবা ক্ষেতের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হয়নি, অথচ সরকারি মহলে ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণে তারা ত্রাণ পেয়েছেন। ওদিকে এই কারচুপির তদন্ত করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্তদের নামের বানান এবং ব্যাঙ্কের আইএফএসসি কোড ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল লেখা হয়েছে যাতে সরকারি সাহায্য আসল দুর্গতরা না পায়। এবং এই তালিকা তৈরি হয়েছে স্থানীয় বিডিও পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের তত্ত্বাবধানে। তাই অবশ্যই পুরো ভুলের দায়িত্ব যে তাঁদের নিতে হবে, সে কথা স্পষ্ট।

অন্যদিকে বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে শাসক দল যেভাবে দুর্নীতি ধামাচাপা না দিয়ে তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, তা অবশ্যই সাধারণ মানুষের মনে শাসক দলের প্রতি অন্যরকম ছাপ ফেলবে। তবে প্রায়দিনই যেভাবে শাসকদলের দুর্নীতি প্রকাশ পাচ্ছে তাতে রাজনৈতিক মহলে বিরোধীদের দাবি প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধীরা অবশ্য ইতিমধ্যেই আওয়াজ তুলতে শুরু করেছেন যে, শাসকদল নিজেদের দিকে আঙুল ওঠার জন্যই এইভাবে আধিকারিকদের শাস্তি দিয়ে তা নাকি চাপা দিতে চাইছে। আপাতত এই পুরো ঘটনাটির ওপর কড়া নজর রাখবে রাজ্যের ওয়াকিবহাল মহল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!