এখন পড়ছেন
হোম > আন্তর্জাতিক > লোকসভা নির্বাচনের আগে এই কাজটি না করলে কিন্তু সমূহ বিপদ জানাচ্ছে বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়

লোকসভা নির্বাচনের আগে এই কাজটি না করলে কিন্তু সমূহ বিপদ জানাচ্ছে বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়



বর্তমানের প্রযুক্তি নির্ভর সময়ে সোস্যাল মিডিয়ার প্রাত্যহিক জীবনে অবদান অনস্বীকার্য। এই সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই নির্বাচনী প্রচার কার্য আলদা মাত্রা পেয়েছে। তার উপযুক্ত প্রমাণ পাওয়া গেছে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে। আবার লোকসভা নির্বাচন আসন্ন। কিন্তু তার আগেই অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি সমগ্র ভারতে সোস্যাল মিডিয়ার ব্যবহার সংক্রান্ত কঠোর নিয়মাবলী প্রকাশের প্রয়োজনীয়তাকে উপস্থাপন করলো।

তবে শুধু ভারত নয় তাদের তালিকায় রয়েছে আরও ৪৭ টি দেশ। অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউটের সমীক্ষা অনুসারে সেই সব দেশগুলিতেও এই একই প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। প্রসঙ্গত একটি গবেষণায় পাওয়া তথ্য অনুসারে জানা যাচ্ছে ২০১০ সালের পর থেকে বিভিন্ন দেশে সংবাদপত্রের পাঠকদের একটা বড় অংশ সংবাদপত্র পাঠের থেকে বিভিন্ন ওয়েব পোর্টালে খবর পড়তে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করছে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অন্যদিকে প্রতিটি রাজনৈতিক দল তাদের দলীয় প্রচারকার্যের জন্যে নির্ধারিত অংশের একটি বড় অংশ সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচার কার্যের জন্যে ব্যয় করছে। আবার সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে একটি বড় অংশ হলো যুব সমাজ। তাই স্বাভাবিক ভাবেই নির্বাচনে সরকার মনোনীত করার ক্ষেত্রে যুব সম্প্রদায় একটি বড় ভূমিকা গ্রহণ করছে।

এদিকে অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর ফিলিপ হাওয়ার্ড সোস্যাল মিডিয়ার উপযোগীতার পাশাপাশি ক্ষতিকারক দিকটির কথা উল্লেখ করে জানালেন যে, সোস্যাল মিডিয়ায় ইতিবাচক ভূমিকা আছে ঠিকই কিন্তু তার নেতিবাচক ভূমিকার কথাও ভুলে গেলে চলবে না। এই সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর প্রবণতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। যার পরিমান ভারতে সবচেয়ে বেশি।

সেই জন্যেই ভারতে ২০১৯ সালের আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে সোস্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ করা জরুরী বলে তিনি দাবি করলেন। সেই তাঁর মতে নির্বাচন কমিশন বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কিছু নিয়মবিধি প্রকাশ করা উচিত। উল্লেখ্য, এই বিষয়ে এরমধ্যেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অধীনস্থ একটি কমিটি কাজ শুরু করে দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

সেই সূত্রে কমিশনেরই এক উচ্চপদস্থ অফিসারের জানালেন নির্বাচন শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে যাতে কোনও ভাবেই কেউ সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালাতে বা বিভ্রান্তিমূলক খবর প্রকাশ করতে না পারে সেই বিষয়ে ওই কমিটি শীঘ্রই একটি রিপোর্ট পেশ করতে চলেছে। তিনি আরও জানালেন যে সেক্ষেত্রে আইনের ১২৬ নম্বর ধারা বা Representation of the People Act-এও পরিবর্তন আনা হতে পারে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!