এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > মুসলিম-বিরোধী তকমা ঝেড়ে এবার তৃণমূলের সাধের সংখ্যালঘু ভোটেও থাবা বসাতে মহা-পরিকল্পনা বিজেপির

মুসলিম-বিরোধী তকমা ঝেড়ে এবার তৃণমূলের সাধের সংখ্যালঘু ভোটেও থাবা বসাতে মহা-পরিকল্পনা বিজেপির



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – বরাবরই পশ্চিমবঙ্গের শাসকদলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের সংখ্যালঘু ভোট। কিন্তু তৃণমূল শিবিরের নেতা মন্ত্রীদের সাথে সাথে তৃণমূলের এই সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংকেও থাবা বসাতে শুরু করলো গেরুয়া শিবির। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোট যেনতেন প্রকারেণ নিজেদের দিকে আনার চেষ্টায় মরিয়া বিজেপি। আর তাই এবার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সভাপতি আলী হোসেন আসরে নেমেছেন। শোনা যাচ্ছে, ইতিমধ্যে তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিজেপি রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে। প্রসঙ্গত, সারা ভারতে মূলত গেরুয়া শিবির মুসলিম বিদ্বেষী হিসেবেই পরিচিত। এই রাজ্যেও একই কথা শোনা যায়।

এমনকি মেরুকরণের রাজনীতি করার তকমাও এটা গিয়েছে এতদিনে গেরুয়া শিবিরের পিঠে। কিন্তু এবার একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এসে সেই তকমা ঝেড়ে ফেলতে উদ্যোগ নিচ্ছে গেরুয়া শিবির। পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যার প্রায় 30 শতাংশ মুসলিম। ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই 70 শতাংশ হিন্দু ভোট নিলেও বিধানসভার মসনদ দখল যে প্রশ্নচিহ্নের সামনে পড়বে, সে ব্যাপারে একমত রাজনৈতিক মহল। আর তাই বিধানসভা নির্বাচনের আগে গেরুয়া শিবিরের প্রধান কৌশল মুসলিম সমাজ থেকে দলবদল করানো। অন্যদিকে গেরুয়া শিবিরের অন্দরেই সংশয় তৈরি হয়েছে সংখ্যালঘু ভোটব্যাংক নিয়ে।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

মুসলিম সমাজের অনেকেই বিজেপিতে যোগ দিলেও তাঁদের প্রত্যেকেই যে বিজেপিকে ভোট দেবে, তার কোন নিশ্চয়তা নেই- এ ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত রাজনৈতিক মহলের অনেকেই। বিজেপির অন্দরেও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, হয়তো নিরাপত্তার খাতিরেই বেশকিছু মুসলিম বিজেপিতে এসে যোগদান করছেন। তবে একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটব্যাংকে চিড় ধরানোর জন্য ইতিমধ্যে রাজ্যে হাজির হয়েছে মিম। যথারীতি মুসলিম ভোট ভাগ হয়ে যাবার সম্ভাবনা মাথাচাড়া দিচ্ছে। আর সেক্ষেত্রে গেরুয়া শিবির যে সুবিধা পাবে সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। আর তাই এ রাজ্যে মিম আসায় তৃণমূল ছাড়া আর বিশেষ কেউই মাথা ঘামাচ্ছে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইতিমধ্যেই রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ থেকে শুরু করে সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সভাপতি আলী হোসেন পর্যন্ত প্রত্যেকেই জানিয়েছেন মিম একটি রাজনৈতিক দল। তাঁরা যেকোন রাজ্যে আসতেই পারেন এবং ভোটে দাঁড়াতে পারেন। তা নিয়ে আপত্তি করার কিছু নেই। অন্যদিকে তৃণমূল শিবিরের দাবি, সংখ্যালঘুরা বরাবরই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের উপর আস্থা রেখেছেন, আগামী দিনেও তাঁদের সেই আস্থাই অটুট থাকবে।  তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, রাজ্যে তৃণমূল সরকার থাকায় খুব স্বাভাবিকভাবেই সংখ্যালঘু সমাজ বিভিন্নভাবে উপকৃত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একুশের নির্বাচনে এক্স ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারে এই সংখ্যালঘু ভোট। আর তাই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে পাশে পেতে মরিয়া গেরুয়া শিবির।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!