এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > মুকুলকে দিয়ে বিজেপিকে চাপে ফেলতে নয়া পদক্ষেপ তৃণমূলের! জেনে নিন

মুকুলকে দিয়ে বিজেপিকে চাপে ফেলতে নয়া পদক্ষেপ তৃণমূলের! জেনে নিন



নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে জোর প্রচার করতে শুরু করেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে তৃণমূলের এই প্রচার যাতে বেশি মাত্রা না পায়, তার জন্য পাল্টা রণকৌশল করছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তবে বিজেপি বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে সাধারণ মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও, পাল্টা নমঃশূদ্রদের মাঠে নামিয়ে বিজেপির প্রচারকে পেছনে ফেলে দিতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস।

এক্ষেত্রে তৃণমূলের মূল টার্গেট, নমঃশূদ্র উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান মুকুল বৈরাগ্য। জানা গেছে, নমঃশূদ্রদের দিয়েই সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই নাগরিকত্ব আইনে যে কেউ নিরাপদ নয়, তা বোঝানো হবে। ইতিমধ্যেই এই প্রচার প্রক্রিয়ার জন্য নমঃশূদ্রদের তরফে কুড়ি হাজার সদস্যকে ময়দানে নামানো হবে। যারা এক কোটি লিফলেট নিয়ে সাধারন মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাবেন।

বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, এই নমঃশূদ্র সম্প্রদায়কে নিজেদের দিকে টানতে নাগরিকত্ব আইনের স্বপক্ষে বোঝাতে শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। কিন্তু তৃণমূল এই উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান করে মুকুল বৈরাগ্যকে নিজেদের কাছে টেনে তার সম্প্রদায়কে নাগরিকত্ব আইনছর বিরুদ্ধে ময়দানে নামিয়ে বিজেপিকেই বিপাকে ফেলতে চাইছে।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

বস্তুত, এদিন কোচবিহার গোসানিমারিতে একটি সভা করেন সেই মুকুল বৈরাগ্য। যেখানে তৃণমূলের রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, পার্থপ্রতিম রায় সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। আর সেখানেই তিনি জানিয়ে দেন যে, এই নাগরিকত্ব আইন এর বিরুদ্ধে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সভা করার কথা রয়েছে তার।

এদিন নমঃশূদ্র উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান মুকুল বৈরাগ্য বলেন, “বিজেপি সরকার আমাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা সবাই ভারতীয় নাগরিক। ভোটার কার্ড প্রত্যেকের রয়েছে। এখন বলা হচ্ছে, নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে হবে। তাতে সবাই বিদেশী হয়ে যাব। এই আইনের প্রয়োজন আছে বলে আমরা মনে করি না।”

বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন লাগু হবার পর থেকেই দেশজুড়ে বিজেপি এর স্বপক্ষে এবং অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো এর বিপক্ষে থেকে প্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু বাংলায় যেভাবে এই আইনের বিরোধিতায় তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে তরজা সৃষ্টি হয়েছিল, তাতে শেষপর্যন্ত তৃণমূল নিজেদের স্বপক্ষে নমঃশূদ্র সম্প্রদায়কে পেয়ে যাওয়ায়, বিজেপি অনেকটাই ব্যাকফুটে চলে গেল বলে মত রাজনৈতিক মহলের। তবে শেষ পর্যন্ত বিজেপি এই গোটা ঘটনা কিভাবে মোকাবিলা করে! সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!