এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > মুখ্যমন্ত্রীর হোঁদল কুতকুত, কিম্ভূত কিমাকার মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী

মুখ্যমন্ত্রীর হোঁদল কুতকুত, কিম্ভূত কিমাকার মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – সম্প্রতি এক জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি নাম না নিয়েও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চেহারা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন। সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন যে, দুজন নেতা সম্প্রতি দেশ চালাচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে একজন হলেন হোঁদল কুতকুত, আর একজন হলেন কিম্ভূত কিমাকার। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য আলোড়ন ফেলে দেয় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। এর বিরুদ্ধে পাল্টা বক্তব্য রাখেন একাধিক বিজেপি নেতৃত্ব। এবার এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন বন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

গতকাল বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হুগলী জেলার বৈদ্যবাটিতে এক সভায় যোগদান করেছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন বন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সভাতেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক ও আসানসোলের প্রাক্তন মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ প্রমুখরাও। এই সভা থেকেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানালেন,রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে প্রধানমন্ত্রীকে কিম্ভূত কিমাকার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হোঁদল কুতকুত বলছেন, এতে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে যে, তৃণমূলের নেতা নেত্রীরা মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

আবার, গত সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে লালু প্রসাদ যাদবের পুত্র তেজস্বী যাদবের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। এ প্রসঙ্গে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন যে, নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষিত হয়ে যাবার পর, কি করে রাজ্যের সচিবালয়তে তেজস্বী যাদবকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী রাজনৈতিক কথা বলছেন? তিনি প্রশ্ন করেছেন, এটা কি নির্বাচনের বিধি ভঙ্গ করছে না? তিনি জানালেন, নির্বাচন কমিশনের কাছে তিনি বলতে চান যে, তৃণমূল দলকেই বাতিল করে দেয়া হোক নির্বাচন থেকে।

অন্যদিকে, আগামী ৭ ই মার্চ রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ব্রিগেডে বক্তব্য রাখতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এবার তার প্রস্তুতিপর্ব খতিয়ে দেখলেন বিজেপির একাধিক কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্ব। বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেডে ১০ লক্ষ মানুষের ঐতিহাসিক সমাবেশ দেখা যাবে। যদিও এ বিষয় নিয়ে বিজেপিকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল ও সিপিএম। নির্বাচনের পূর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২৫-৩০ টি জনসভার আর্জি জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!