এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > “মুখ্যমন্ত্রী অতিথির কাছে টাকা চান” বিস্ফোরক রাজ্য সভাপতি

“মুখ্যমন্ত্রী অতিথির কাছে টাকা চান” বিস্ফোরক রাজ্য সভাপতি



লোকসভা ভোটের পর থেকেই এ রাজ্যে বিজেপির পাখির চোখ বাংলার মসনদ দখল। 2021 এর বিধানসভা ভোটে রাজ্যের শাসক দলকে উৎখাত করাই এখন বিজেপির লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য পূরণ করতে গিয়ে এ রাজ্যে বিজেপি বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আর সেই পদক্ষেপেরই একটি অংশ হলো রাজ্যে বিজেপি সভাপতি পুনর্নির্বাচন। এদিন দ্বিতীয় বার পশ্চিমবাংলায় রাজ্য বিজেপি সভাপতি পদ গ্রহণ করলেন দিলীপ ঘোষ এবং সভাপতি পদ গ্রহণ করার পরেই তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন এ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে।

সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদি কলকাতা সফরে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কলকাতায় পা রাখার পরেই তাঁর সাথে রাজভবনে বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের বকেয়া টাকাগুলি চান। এ প্রসঙ্গে বিজেপির নবনির্বাচিত সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, বাড়িতে অতিথি আসলে চা খাওয়ানো হয় কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী টাকা চান। প্রধানমন্ত্রী এরাজ্যে এসে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিলেও মুখ্যমন্ত্রী সিএএর বিরোধিতা করে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক অনুষ্ঠানে হাজিরা দেননি।

সম্প্রতি পোর্ট ট্রাষ্টের দেড়শ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবং বিবেকানন্দের জন্মদিন হেতু এরাজ্যে পা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এয়ারপোর্ট থেকেই তিনি সোজা রাজভবনে যান এবং সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছে বৈঠকে বসেন। এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ রাজ্যের বকেয়া টাকাগুলি চান বলে সূত্রের খবর। এর সাথে মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে আবেদন করেছেন এ রাজ্যে সিএএ, এন আর সি এবং এনপিআর রদ করার জন্য।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

বিজেপি এখন 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনে নামার আগে পুরভোটে তাঁদের ক্ষমতা ঝালিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় আছে এবং সেই লক্ষ্যেই রাজ্য বিজেপির সভাপতির পদে দ্বিতীয়বার এলেন মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষের যে আগ্রাসী মনোভাব, তাকেই এবারের নির্বাচনে দল কাজে লাগাবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ এখনো পর্যন্ত এ রাজ্যে বিজেপি দল রাজনৈতিক মঞ্চে যেভাবে সামনে এসেছে, তার জন্য রাজ্য বিজেপি সভাপতির আগ্রাসী মনোভাব অনেকাংশেই দায়ী বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

একদিকে মুকুল, অন্যদিকে দিলীপ এই দুইয়ের সাঁড়াশি আক্রমণেই এবারের পুরভোট এবং আগামী দিনের বিধানসভা নির্বাচন জিততে রাজনৈতিক ময়দানে অবতরণ করছে বিজেপি। লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই যে লক্ষ্যে অবিচল রয়েছে গেরুয়া শিবির। আর সে কারণেই রাজ্য বিজেপি সভাপতি বিভিন্ন বিতর্ক সৃষ্টি করলেও তাঁর আগ্রাসী মনোভাবকে সামনে রেখে সমস্ত বিতর্ককে সরিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাঁর হাতেই তুলে দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতির দায়িত্ব। পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবে রাজ্যের ওয়াকিবহাল মহল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!