এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > ময়দানে ক্রিকেট যুদ্ধ নাকি ময়দানের বাইরে কোরোনা যুদ্ধ? IPL ঘিরে তীব্র আশঙ্কা ক্রিকেট ভক্তদের!

ময়দানে ক্রিকেট যুদ্ধ নাকি ময়দানের বাইরে কোরোনা যুদ্ধ? IPL ঘিরে তীব্র আশঙ্কা ক্রিকেট ভক্তদের!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট –  এই যে আসছে আসছে ভাব, সেটাই বেশ ভালো লাগে। একটা চাপা উত্তেজনা, একটা প্রতীক্ষা। সবকিছুর মধ্যে সব সময় মনে মনে ভাবা। এই তো আর কিছুদিন, এই তো হয়ে এল। ভাবছেন তো কিসের কথা বলছি? কথা হচ্ছে আমাদের বহু প্রতীক্ষিত আইপিএলের। সেই কবে থেকে খেলা শুরুর প্রত্যাশা করে আছে আমরা। করোনা পরিস্থিতিতে শুধু মনে হয় এটাই একমাত্র ভালো একটা কিছু হচ্ছে। সারা দেশবাসীর কাছে একটা কিছু নিয়ে নতুন উন্মাদনা তৈরী করবে।

ইতিমধ্যে আমির্শাহিতে পৌঁছে গেছে আইপিএল দল। করোনা সতর্কতায় এবার সেখানেই খেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আছে। খেলোয়াড় এবং খেলা পর্যালোচনার দায়িত্বে থাকা সমস্ত মানুষের কথা ভেবে তাই আগে থেকেই নেওয়া হয়েছে একাধিক সাবধানতা। তবে আমির্শাহীতেও সেই বিষয়ে কোনো খামতি রাখতে চাইছে না কেউ। ফলে করোনা যুদ্ধে সাজো সাজো রব শোনা যাচ্ছে সর্বত্রই।

সম্প্রতি আবু ধাবির করোনা পরিস্থিতি খুব একটা নিয়ন্ত্রিত নয় বলেই জানা গেছে। কারণ আপাতত সেখানে প্রতি দিন তিনশো থেকে চারশো জন করে আক্রান্ত হচ্ছেন। ফলে একটা ভয় যে রয়ে গেছে তা বলাই বাহুল্য। এছাড়া আমিরশাহী এয়ারপোর্টে নেমে করোনা পরীক্ষা মাস্ট। সেখানকার নিয়ামবলী মেনে ছ’দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হচ্ছে প্রত্যেককে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সেই সঙ্গে প্রত্যেকের ছ’দিনের মধ্যে তিন বার পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, হোটেলে ক্রিকেটারদের করোনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার দিকটা দেখার জন্য একটা মেডিক্যাল সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যারা আগামী আড়াই মাসে সমস্ত ক্রিকেটারদের যাবতীয় করোনা পরীক্ষা, টুর্নামেন্টের মাঝে কেউ করোনা আক্রান্ত হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা প্রভৃতি সব কিছুর দায়িত্ব পালন করবে।

সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরো জোরদার করতে ক্রিকেটারদের জন্য একটা ‘চিপ’ সরবরাহ করার কথা ভাবা হয়েছে। যা ক্রিকেটারদের গতিবিধির উপর নজর রাখবে সাহায্য করবে। কেউ সুরক্ষা বলয় ভেঙে বেরোলে সঙ্গে সঙ্গে সেই ‘চিপ’ রিপোর্ট করে দেবে। আর এই সমস্ত ব্যাপারটি পরিচালনা করছে লন্ডনের একটি সংস্থা।

শুধু তাই নয়, ভার্চুয়াল ছাড়া অন্য কোনো রকম ভাবেই কাউকে কোনো টিমের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। সুতরাং আপনিই বুঝে দেখুন যে আপনি যে এখানে খেলা নিয়ে এত উত্তেজিত, অথচ অন্যপারে আইপিএল ক্রিকেটার থেকে শুরু করে যাবতীয় ম্যানেজমেন্টের লোক কিন্তু করোনার সঙ্গে অন্য এক লুকোচুরি খেলা চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!