এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > শিশু বিক্রির কথা স্বীকার করে নিলেন মাদার টেরেজার মিশনারিজ অফ চ্যারিটি’র সন্ন্যাসিনী

শিশু বিক্রির কথা স্বীকার করে নিলেন মাদার টেরেজার মিশনারিজ অফ চ্যারিটি’র সন্ন্যাসিনী



সম্প্রতি শিশু পাচার এবং বিক্রির অভিযোগে খবরের পাতায় উঠে এসেছিলো মাদার টেরিজার স্বপ্নের সংস্থা মিশনারিজ অফ চ্যারিটি’র নাম। এই সংস্থার রাঁচি শাখার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করে উত্তরপ্রদেশের এক সম্পতি। এই অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় থানার পুলিশ তদন্তে নামে এবং পাওয়া যায় এই সংস্থার কাজকর্ম সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। এই অভিযোগের তদন্তে দোষী সন্দেহে পুলিশ ঐ সংস্থার এক কর্মী সহ দুই সন্ন্যাসীনিকে ৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে নেয়।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

সেইসময় ধৃতদের জেরা করে অনেক অজানা তথ্যের মুখোমুখি হয় ঝাড়খণ্ড পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, জেরার সময়ই শিশুবিক্রির কথা স্বীকার করে সিস্টার কোনসিলিয়া। তদন্তকারীদের তাঁকে জেরা করার সময়কার একটি ভিডিও দিন কয়েক আগে ঝাড়খণ্ড পুলিশ প্রকাশ করে । যেখানে দেখা যায় সিস্টার কোনসিলিয়া নামক ওই সন্ন্যাসিনী বলছেন, ”শিশুবিক্রির কথা কেউ জানতেন না।

সে ও করিশ্মা নামে এক মহিলার এই কথা জানা ছিল। এমনকি এই ব্যাপারে কিছু জানতেন না মিশনারিজ অব চ্যারিটি রাঁচির প্রধান সন্ন্যাসিনীও।” তিনি ছাড়াও অনিমা ইন্দওয়ার নামক অন্য সন্ন্যাসিনী জানালেন তিনি ঐ সংস্থার সাথে বিগত ৫ বছর ধরে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর বয়ান অনুসারে তাঁরা এ পর্যন্ত মোট ৪ টি শিশু বিক্রি করেছেন।

 

এদের মধ্যে সকলেই পুত্র সন্তান ছিলো। এর মধ্যে তিনি নিজেই একটি সন্তানকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করেন। যার মধ্যে নিজের কাছে ২০ হাজার টাকা রেখে অবশিষ্ট ১ লক্ষ টাকা তিনি সিস্টার কোনসিলিয়াকে তিনি দিয়ে দেন বলে দাবি করেছেন। যদিও সিস্টার কোনসিলিয়ার বিরুদ্ধে আনা কোনো অভিযোগই তাঁর আইনজীবিমানতে নারাজ। উলটে তিনি দাবি করেছেন পুলিশ তাঁর মক্কেলকে চাপ দিয়ে বয়ান আদায় করেছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!