এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > মন্ত্রীপদ ছাড়তেই শুনতে হল টিপ্পনী! বড়সড় চাপে রাজীব!

মন্ত্রীপদ ছাড়তেই শুনতে হল টিপ্পনী! বড়সড় চাপে রাজীব!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – প্রায় বেশ কিছুদিন ধরেই দলের বিরুদ্ধে বেসুরো মন্তব্য করতে দেখা যাচ্ছিল তাকে। যার পরবর্তী সময়কালে তিনিও শুভেন্দু অধিকারীর পথ ধরে বিজেপিতে নাম লেখাতে পারেন বলে জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছিল। আর হঠাৎ করেই শুক্রবার মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার সাথে সাথেই যেভাবে কমেন্ট বক্সে সেই রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে টিপ্পনী শুনতে হল, তা নিঃসন্দেহে অস্বস্তিতে ফেলে দিল তৃণমূল কংগ্রেসের এই শীর্ষ নেতাকে।

এখনও পর্যন্ত খাতায়-কলমে তিনি ডোমজুড়ের তৃণমূল বিধায়ক। দলবদলের মত কোনো কথা তিনি ঘোষণা করেননি। শুধুমাত্র মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। আর তার পরপরই একাংশ আশঙ্কা করছেন যে, এবার খুব তাড়াতাড়ি তিনি বিজেপিতে নাম লেখাতে পারেনা। আর তার সাথে সাথেই সেই আশঙ্কাকে পাথেয় করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে অনেকেই ছুড়ে দিতে শুরু করেছেন কটাক্ষ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে তিনি লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গের বন বিভাগের মন্ত্রীপদ থেকে পদত্যাগ করছি।” আর তারপরই আশ্চর্যজনক ভাবে লক্ষ্য করা যায় যে, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সেই পোষ্টের কমেন্ট বক্সে বিস্ফোরক বেশ কিছু মন্তব্য. যেখানে কেউ লেখেন, “যান, এবার মীরজাফরদের হাত ধরুন।”

আবার কেউ লেখেন, “দলে থেকে কাজ করতে পারছিলাম না। বিজেপিতে যোগদান করলাম। মানুষের কাজ করবার জন্য মোদিজীর হাতে বাংলা তুলে দিতে হবে। অমিত শাহ আমার বড় ভাই। আমি ওনার ছোট ভাই। এই ডায়লগটা কবে দেবেন অপেক্ষায় রইলাম।” অনেকে আবার পরামর্শের সহিত লিখেছেন, “আপনার সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছু বলার নেই। তবে এতদিন পরে ভোটের মুখে এই সিদ্ধান্ত ঠিক নয়। ভবিষ্যত জীবনের জন্য শুভকামনা থাকল। কিন্তু বিজেপিতে গেলে সম্মান আর শ্রদ্ধার জায়গায় থাকবেন না। ভালো থাকবেন।”

কেউ কেউ আবার এতদিন ধরে ক্ষীর কেন এখন এই সিদ্ধান্ত! এই প্রশ্ন সেই রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কমেন্ট বক্সে তুলে ধরেছেন। অর্থাৎ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের পরবর্তী রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কথা না জানালেও, অনেকেই যে তার এই পদক্ষেপের পর তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত। আর তাই তার ফেসবুকে মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফার পোস্ট পাওয়ার সাথে সাথেই সেখানে একাংশ কমেন্ট করে তাকে কটাক্ষ করতে শুরু করে দিলেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় কি করবেন, তা সত্যিই এখন জল্পনার চূড়ান্ত শিখরে রয়েছে। তবে অতীতে শুভেন্দু অধিকারী এভাবে মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর ধীরে ধীরে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন। আর তারপর তিনি যোগ দিয়েছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টিতে।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

স্বাভাবিকভাবেই দলের বিরুদ্ধে বেসুরো মন্তব্য করার পর এবার মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সেই পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। আর তাই তার ফেসবুকে মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর হতেই তাকে কটাক্ষ করতে শুরু করলেন একাংশ। তবে যারা কটাক্ষ করেছেন, তারা সকলেই তৃণমূলের কর্মী সমর্থক বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে অনেকে আবার বলছেন, এর ফলে হিতে বিপরীত হতে পারে। হয়ত বা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রীপদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তৃণমূলেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

কিন্তু যেভাবে একাংশ এই ফেসবুক পোস্টের কমেন্টে তার বিজেপি যোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করলেন, তাতে তিনি হয়ত বা পরবর্তীতে সেই রকম কোনো সিদ্ধান্ত নিলেও নিয়ে ফেলতে পারেন। যা তৃণমূলের কাছে বড় চাপের কারণ হয়ে দাঁড়াবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, ফেসবুক পোস্টের কমেন্টে একাংশ যা বলছেন, তা সত্যি হয়, নাকি তৃণমূলেই থাকেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!