এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > কংগ্রেস > মধ্যপ্রদেশের পুনরাবৃত্তি কি ঘটবে রাজস্থানে? ফের বিপর্যয়ের আশংকায় প্রহর গুনছে হাত শিবির

মধ্যপ্রদেশের পুনরাবৃত্তি কি ঘটবে রাজস্থানে? ফের বিপর্যয়ের আশংকায় প্রহর গুনছে হাত শিবির



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – গতবছর মরুরাজ্য রাজস্থানে কংগ্রেসে বড়সড় বিভাজনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলট ও তাঁর ঘনিষ্ঠ বিধায়কেরা যে কোনো সময় দল ছেড়ে দিতে পারেন, এমন একটা আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। রাজ্যের শাসন ক্ষমতা ধরে রাখা নিয়েও উঠেছিল নানা প্রশ্ন। তবে, শেষ পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর আস্বস্ত হন শচীন পাইলট।

তবে, দলে থাকার জন্য তিনি বেশ কিছু শর্ত আরোপ করেছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, এই শর্ত গুলি এখনো পর্যন্ত পূরণ করা হয়নি। এ কারণে শচীন পাইলট ঘনিষ্ঠদের মধ্যে অনেকেই অন্যকিছু ভাবতে শুরু করেছেন। তাই যেকোনো সময়ে আবার বড়োসড়ো ভাঙ্গনের আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে রাজস্থান কংগ্রেসে।

গতবছর শচীন পাইলট এর সঙ্গে বেশকিছু বৈঠকের পর এই সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব দেয়া হয় কংগ্রেস নেতা অজয় মাকেনকে। সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, খুব শীঘ্র সমস্যার সমাধান করা হবে। রাজ্য মন্ত্রিসভা ও বিভিন্ন কমিটিতে যেসব শুন্যস্থান তৈরি হয়েছে, সেগুলো দ্রুত পূরণ করা হবে। কিন্তু আবার বিভাজনের বড় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে কংগ্রেসে। শচীন পাইলট ঘনিষ্ঠ একাধিক বিধায়ক অভিযোগ করেছেন যে, শচীন পাইলটকে তাঁর উপযুক্ত মর্যাদা দিচ্ছে না দল।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

বহু বিধায়ক অভিযোগ করেছেন, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট তাঁদেরকে বারবার চাপ দিচ্ছেন, পাইলট শিবির বদল করে গেহলট শিবিরে যোগদান করতে। এমনকি, তাঁদের ফোন ট্যাপ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁরা। তবে, এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো বক্তব্য রাখেননি রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। সূত্রের খবর, সম্পূর্ণ পরিস্থিতির দিকে লক্ষ্য রেখেছেন তিনি। এর সঙ্গেই ঘনিষ্ঠ শচীন পাইলট ঘনিষ্ঠ বেশকিছু বিধায়ককে নিজের শিবিরে আনার চেষ্টাও চালাচ্ছেন তিনি।

এই অবস্থার মধ্যেই কংগ্রেসের আশঙ্কা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে তরুণ কংগ্রেস নেতা জিতিন প্রসাদের দলত্যাগ ও বিজেপিতে যোগদান। মধ্যপ্রদেশের মত অবস্থা হবে কি রাজস্থানে? এই প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে। তবে, এখনই দলত্যাগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য রাখেননি শচীন পাইলট। অনেকে মনে করছেন, দলের মধ্যে থেকেই নিজেদের অধিকার আদায় করে নিতে চান শচীন পাইলট।

আর এই পরিস্থিতিতে বিজেপির তৎপরতা কংগ্রেসের দুশ্চিন্তা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে রাজস্থানের বিজেপি সভাপতি সতীশ পুনিয়া জানিয়েছেন যে, রাজ্যে অঘোষিত জরুরি অবস্থা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, শচীন পাইলট ঘনিষ্ঠ বিধায়ক পি.আর. মিনা জানিয়েছেন যে, সকলেই অপেক্ষা করছেন। দলের হাইকমান্ডকে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!