এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > মোদীর সভার আঁচ গিয়ে পৌঁছালো আদালত অবধি, দমছে না বিজেপি

মোদীর সভার আঁচ গিয়ে পৌঁছালো আদালত অবধি, দমছে না বিজেপি



মেদিনীপুরে প্রধানমন্ত্রীর সভা কাল রয়েছে কিন্তু আজ সেই নিয়ে জল গড়াল আদালত অবধি।গতকাল নরেন্দ্র মোদির সভায় সামিয়ানা ভেঙে পড়ে যে কারণে আহত হন প্রায় ৪০ জনেরও বেশি যদিও প্রধানমন্ত্রী তাদের হাসপাতালে দেখতে যান কিন্তু তবুও শেষ রক্ষা হলো না। আজ অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করা হল বিজেপির বিরুদ্ধে। জানা গেছে ভারতীয় দণ্ডবিধি ৩০৮,৩৩৭,ও ৩৩৮ ধারায় অনিচ্ছাকৃত খুনের চেষ্টা, মানুষের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে জীবনহানির চেষ্টা এই সমস্ত অভিযোগ এনে মামলা করা হয়েছে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

বিজেপির বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। নাম না থাকলেও মামলা করা হয়েছে সভার উদ্যোক্তা, ঠিকাদার, ডেকরেটরদের বিরুদ্ধে। আর যেহেতু বিজেপির সভা এটি উদ্যোক্তাও যে বিজেপি আর সেখানে তাদের নেতাদের নাম থাকবে এ কথা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখেনা। এদিকে এ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়ে গেছে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে এসেছেন এবং তারা রিপোর্ট দিয়েছেন শামিয়ানার কাঠামো তৈরিতে গলদ ছিল। লোহার রড দিয়ে তৈরি হয় কাঠামো। কিন্তু তার জন্য যতটা পরিমাণ গর্ত খোঁড়ার দরকার তা করা হয়নি। দরকার ছিল চারটি বোল্ট লাগানোর কিন্তু লাগানো হয়েছিল একটি বোল্ট। এছাড়া ত্রিপলে জল জমে গিয়েছিল। তাই এর সমস্ত দায় যারা আয়োজন করেছিলেন তাদের যারা আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে এই দায় নিতে।

এই নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ”যখন ছাউনি ভেঙে পড়েছিল, তখন এসপি কোথায় ছিলেন? এসপিজি-র আইজি ফোন করাতেও তিনি ফোন ধরেননি। কাঠামোয় যদি এত গলদ ছিল তা হলে পূর্ত দফতর ও পুলিশ আগে কেন তা পরীক্ষা করে দেখেনি। আমাদের সঙ্গে তো কোনও বৈঠকই করেননি।” আর তাছাড়া বিজেপির তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই বিপত্তি শুধুমাত্র বেশি সংখ্যায় লোক এসে যাওয়ার জন্য কেননা চার লক্ষ লোক আসবে ভেবে সেই মতো ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু দেখা গেছে প্রায় ছয়  লক্ষেরও বেশি লোক এসেছে ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে এই মামলায় জন্য যেকোনো ভাবে তারা ভীত নয় একথা পরিষ্কার করে দিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর এসব হচ্ছে বিজেপি কে ফাদে ফেলার চেষ্টা। এর জন্য তিনি সুযোগ খুঁজছিলেন আর এটা একটা দুর্ঘটনা,এটা নিয়ে শুধুমাত্র তৃণমূলই রাজনীতি করতে পারে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!