এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > মিশন বেঙ্গল সম্পূর্ণ হতেই তৃণমূলের ত্রিপুরায়! দলে দলে কর্মীরা পদ্ম ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে

মিশন বেঙ্গল সম্পূর্ণ হতেই তৃণমূলের ত্রিপুরায়! দলে দলে কর্মীরা পদ্ম ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের অপ্রত্যাশিত জয় এসেছে। ২০০ এরও বেশি আসনে ফুটেছে ঘাসফুল। বাংলায় তৃণমূলের এই বিরাট জয় প্রভাব ফেলেছে অপর বাংলাভাষী রাজ্য ত্রিপুরাতে। ত্রিপুরাতে ২ হাজারেরও বেশি বিজেপি কর্মী বিজেপি ছেড়ে যোগদান করেছেন তৃণমূলে। ত্রিপুরা তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বিজেপির কিছু নেতাও তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করেছেন। তাই, বাংলা জয়ের পর এবার ত্রিপুরা জয়ের দিকে এগোতে চাইছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল।

দু’বছর পর ত্রিপুরাতে রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। গত নির্বাচনে ত্রিপুরাতে বিজেপি ৩৭ টি আসনে, বামফ্রন্ট ১৫ টি আসনে জয়লাভ করেছিল, দীর্ঘদিনের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে ত্রিপুরায় উত্থান ঘটে বিজেপির। তৃণমূলের দাবি, ত্রিপুরাতে বিজেপি সরকারকে নিয়ে সন্তুষ্ট নন রাজ্যবাসী। প্রত্যাশা পূরণ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বিজেপি। তাই, এবার বিজেপির বিকল্প হিসেবে তৃণমুলকেই বেছে নেবেন ত্রিপুরাবাসী। ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে তাই আগেভাগেই দলের সংগঠন শক্তিশালী করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, সম্প্রতি আসামের কাঞ্চনপুর, কামালপুরের বেশকিছু বিজেপি পরিবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছেন। যা উজ্জীবিত করেছে ত্রিপুরা তৃণমূল নেতৃত্বকে। সম্প্রতি ত্রিপুরার ২১৪৩ জন বিজেপি কর্মী বিজেপি ছেড়ে যোগদান করেছেন তৃণমূলে। বিজেপির বেশ কিছু নেতারও তৃণমূলে যোগদান করার সম্ভাবনা রয়েছে। ত্রিপুরা তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি আশিস লাল সিং এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন যে, অনেকেই তৃণমূলে যোগদান করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু দলের যেসকল নেতাকর্মীরা কঠিন সময়ে দলের জন্য লড়াই করেছেন, তাদের মতামতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হবে। যেসব নেতারা আগে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমানিত করেছেন তাদেরকে দলে কোনভাবেই দলে নেয়া হবে না।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

ত্রিপুরা তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি আশিস লাল সিং আরও জানিয়েছেন যে, ত্রিপুরাবাসী বুঝতে পেরেছেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই হলেন একমাত্র শান্তি ও উন্নয়নের কান্ডারী। তিনি যখন রেলমন্ত্রী ছিল সে সময় ত্রিপুরার বিশ্রামগঞ্জ এলাকায় রেললাইনের রুট বদলে দিয়ে ভূমিহারা হওয়া থেকে বাঁচিয়েছিলেন ১০ হাজার মানুষকে। যা ত্রিপুরাবাসী কোনদিন ভুলতে পারবে না। তিনি দাবি করেছেন, ত্রিপুরায় এখন যদি ভোট হয়, তবে সরকার গড়ার অবস্থায় চলে যাবে তৃণমূল।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে রোখার অস্ত্র হিসেবে বহিরাগত তত্ত্বের ওপর জোর দিয়ে ছিল তৃণমূল, সেইসঙ্গে প্রচার করেছিল খেলা হবে স্লোগানটি। যা অভাবনীয় জয় এনে দেয় তৃণমূলকে। ঘাসফুল শিবিরের দাবি, এই দুই অস্রকে কাজে লাগিয়ে ত্রিপুরা জয় করতে পারবে তৃণমূল। তৃণমূলের দাবি, বাংলায় বিজেপির পরাজয়ের পর ত্রিপুরাতেও বিজেপির উপর আস্থা হারাতে শুরু করেছেন রাজ্যবাসী। ত্রিপুরা বাসীর আস্থা বাড়তে শুরু করেছে তৃণমূলের উপরে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!