এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > হেভিওয়েট তৃণমূল মন্ত্রীর পুজোতে এবারে চূড়ান্ত চমক! মানবিক পদক্ষেপকে কুর্নিশ নেট জনতার

হেভিওয়েট তৃণমূল মন্ত্রীর পুজোতে এবারে চূড়ান্ত চমক! মানবিক পদক্ষেপকে কুর্নিশ নেট জনতার



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – “ধর্ম যার যার, কিন্তু উৎসব সবার।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কথা বলে সকলের মনে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে দিয়েছিলেন। বাস্তবিক অর্থেই উৎসব যে সকলের তাই স্লোগান এর মধ্যে দিয়ে আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছিল। তবে এবার করোনা ভাইরাসের কারণে সেই দুর্গোৎসবে কিছুটা হলেও ভাটা পড়েছে। নেতা-মন্ত্রীরা সেভাবে উদ্বোধনে যেতে পারছেন না।

কিন্তু রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের পুজোর উদ্বোধন কিছুটা আলাদা। জানা গেছে, হেভিওয়েট মন্ত্রীর পুজোতে পাঁচ বছরের এক অনাথ শিশু ফিতে কেটে উদ্বোধন করবেন। স্বভাবতই এই উদ্বোধককে নিয়ে এখন ব্যাপক তৎপরতা তৈরি হয়েছে। যেখানে প্রতিটি ক্লাব হেভিওয়েট ব্যক্তিত্বদের দিয়ে পুজো উদ্বোধন করাতে ব্যস্ত, সেখানে কিছুটা ব্যতিক্রম মনোভাব পোষণ করে এক অনাথ শিশুকে দিয়ে মাতৃ প্রতিমা উদ্বোধন করে কার্যত নিজের মানবিক রূপের পরিচয় দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

জানা গেছে, বিপিন হাঁসদা নামে এক অনাথ শিশু মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের এই পুজো উদ্বোধন করবেন। বস্তুত, রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রী এই অনাথ শিশুদের জন্য একটি আশ্রম তৈরি করেছিলেন। আর তারপর থেকেই পূজোর সমস্ত দিক দেখাশোনা করেন সেখানকার অনাথ শিশুরা। প্রতিমা আনা থেকে শুরু করে সমস্ত কাজকর্ম দেখভালের দায়িত্ব থাকে এই শিশুদের।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

অর্থাৎ পুজোর কটাদিন তারাও যে মুখ্য ভূমিকায় থাকে, তা মন্ত্রীর উদ্যোগের মধ্যে দিয়েই পরিষ্কার। আর এবার পুজোর উদ্বোধনে এক অনাথ শিশুকে দিয়ে ফিতে কাটানোয় রীতিমত খুশির হাওয়া তৈরি হয়েছে। অনেকে বলছেন, বর্তমান যুগে যখন উদ্বোধনে হেভিওয়েট ব্যক্তিদের আনা কার্যত রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের পুজো কিছুটা হলেও ব্যতিক্রমী পরিচয় বহন করল। এর থেকে সমাজকে অনেকটাই শিক্ষনীয় বার্তা দেওয়া গেল বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

তার পুজোয় এরকম নিয়ম কেন? এদিন এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, “এলাকার অনাথ শিশুদের কথা ভেবেই দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছিলাম। করোনা ভাইরাসের কারণে এই বছর কিছু অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা হলেও, শিশুদের সমস্ত রকম আনন্দ ও খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। ওরা যেন বুঝতে পারে ওদের নিজস্ব পুজো আছে। ওদের আনন্দ দেওয়াই এই আসল উদ্দেশ্য।”

একাংশ বলছেন, ধর্মের নিরিখে পুজোর ব্যবস্থা করা হলেও উৎসবে আনন্দ করা সকলের পক্ষেই সম্ভব। তাই সেই উৎসবে যাতে এই অনাথ শিশুরা দূরে না থাকে, তার জন্যই স্বপন দেবনাথের এই উদ্যোগ। আর মন্ত্রীর এই উদ্যোগ যে সেই সমস্ত অভিভাবকহীন শিশুদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দের জোয়ার সৃষ্টি করবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সব মিলিয়ে সেলিব্রিটিদের দিয়ে পুজো উদ্বোধন করার প্রতিযোগিতার মাঝেও মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের পুজো কার্যত মডেল হয়ে দাঁড়িয়েছে সকলের কাছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!