এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > মানস-গড়ে হঠাৎ করে গরুর মড়ক, আতঙ্কে এলাকাবাসী

মানস-গড়ে হঠাৎ করে গরুর মড়ক, আতঙ্কে এলাকাবাসী



একের পর এক গরুর মৃত্যুতে প্রবল চিন্তার ভাঁজ পড়েছে সবং ব্লকের মানুষদের মধ্যে। সূত্রের খবর, প্রথমে জ্বর, তারপর অরুচি, এবং শেষে জিভে সংক্রমনের জেরে গত দুদিনে এই সবংয়ে মোট 5,400 টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। জানা গেছে, মোহাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসুলিয়া, দুবরাজপুর, বুড়াল গ্রাম পঞ্চায়েতের উধ্ববপুর, রামভদ্রপুর, বিষ্নুপুর পঞ্চায়েতের দাসপুর, লেজিভেড়ি, মগলানিচক, এবং কুলভেড়ি এলাকায় গরুর রোগে মাথায় হাত অনেক পশুপ্রেমীদেরই।

কিন্তু ঠিক কী রোগে মৃত্যু হচ্ছে এই গরুদের? চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এই রোগটির নাম “ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ” বা “এফএমডি”। এদিকে এই রোগ প্রতিহত করতে মোটে গ্রামে 2 জন চিকিৎসক রয়েছেন। যা নিয়ে প্রবল চিন্তিত ভেমুয়া পঞ্চায়েতের বিদায়ী প্রধান ব্রজেন্দ্রনাথ মান্না। এদিকে এই গোটা ঘটনা রাজ্যের প্রানীসম্পদ মন্ত্রীকে জানিয়েছেন এলাকার সাংসদ মানস ভুঁইয়া।

সূত্রের খবর, এর পরেই গত শুক্রবার জেলা প্রানীসম্পদ দপ্তরের উপ অধিকর্তা তুষারকান্তি সামন্তর নেতৃত্বে একটি দল সবংয়ে পরিদর্শনে যায়। শুধু তাই নয়, ইতিমধ্যেই এই ব্যাপারে কোলকাতা থেকে চার বিশেষজ্ঞ এসে নমুনাও সংগ্রহ করেছেন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এ প্রসঙ্গে এদিন এলাকার বিডিও অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বৃহস্পতিবার ঘটনাটা জানার সাথে সাথেই জেলা থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে বিশেষ প্রতিনিধিদল এসেছে।” অন্যদিকে এই গরুর সংক্রমন নিয়ন্ত্রনে সব চেষ্টাই করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই গোটা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন জেলার প্রানীসম্পদ দফতরের উপ অধিকর্তা তুষারকান্তি সামন্ত। সব মিলিয়ে এখন খোদ সাংসদ মানস ভুঁইয়ার গড়ে গরুর মড়ক আটকাতে সক্রিয় প্রশাসন।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!