এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া > বিজেপিকে ঠেকাতে নয়া কৌশল মমতার, দলীয় স্তরে নিলেন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত!

বিজেপিকে ঠেকাতে নয়া কৌশল মমতার, দলীয় স্তরে নিলেন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত!



গত 2019 সালের লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের অনেক আসনেই ভারতীয় জনতা পার্টির কাছে পর্যুদস্ত হতে হয় তৃণমূল কংগ্রেসকে। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি যে জঙ্গলমহলকে পাথেয় করে তৃণমূলের উত্থান হয়েছিল, সেই জঙ্গলমহলে তৃণমূলের ব্যাপক পরাজয় হয়। বাঁকুড়ার দুটি আসনেই বিজেপির কাছে পরাজিত হতে হয় শাসক শিবিরকে। আর এর পরেই দলের সুদিন ফেরাতে উদ্যোগী হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিভিন্ন জেলার সভাপতি পরিবর্তন করার পাশাপাশি বাঁকুড়া জেলাকে নিয়ে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিতে হয় তৃণমূল নেত্রীকে। যেখানে বাঁকুড়া জেলাকে দুটি ভাগে বিভক্ত করে, সাংগঠনিকভাবে সেখানে দুটি সভাপতি করে দেয় তৃণমূল নেতৃত্ব। যেখানে বাঁকুড়া জেলার সভাপতি পদ থেকে অরুপ খাকে সরিয়ে বাঁকুড়ার দায়িত্ব দেওয়া হয় শুভাশিস বটব্যালকে এবং বিষ্ণুপুরের দায়িত্ব দেওয়া হয় শ্যামল সাঁতরাকে।

আর বাঁকুড়া এবং বিষ্ণুপুরকে সাংগঠনিক ভাবে দুটি ভাগে বিভক্ত করার পরেই সেখানে পরিবর্তন ঘটতে শুরু করে। শুভাশিসবাবু এবং শ্যামলবাবু দুজনেই দলের স্বপক্ষে প্রচার করে বিজেপিতে চলে যাওয়া নেতাকর্মীদের ফের তৃণমূলে নিয়ে আসতে উদ্যোগী হন। তবে সম্প্রতি ফের বাঁকুড়াকে নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে বাঁকুড়া জেলাকে অতীতে দুটো ভাগে ভাগ করলেও, এবার সাংগঠনিকভাবে সেই জেলাকে একটিতেই রাখার কথা শোনা গিয়েছে তার গলায়।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, সম্প্রতি তৃণমূল ভবনে বৈঠকে বাঁকুড়া জেলার সভাপতি হিসেবে শুভাশিস বটব্যালের নাম ঘোষণা করে তৃণমূল নেতৃত্ব। আর জেলার কার্যকরী সভাপতি দায়িত্ব দেওয়া হয় শ্যামল সাঁতরাকে। কিন্তু হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল কংগ্রেস? এখন তা নিয়ে নানা মহলে চলছে গুঞ্জন। অনেকে বলছেন, সাংগঠনিকভাবে বাঁকুড়া জেলাকে দুটি ভাগে বিভক্ত করার পর তৃণমূলের যেমন ভালো হয়েছে, ঠিক তেমনই একসাথে অনেক নেতা ঐক্যবদ্ধ ভাবে চলতে না পারার মতো অভিযোগ সামনে এসেছে।

তাই সামনের পৌরসভা নির্বাচন এবং তারপর বিধানসভা নির্বাচনে দলকে এক সুতোয় বাঁধতে বাঁকুড়া জেলার সংগঠনকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সবথেকে বড় দুর্বলতার কারণ ছিল দলে অনৈক্য। আর তার ফলেই বিজেপি অনেকটা সাফল্য পেয়ে গিয়েছে।

আর তাই তো এবার সেই অনৈক্য যাতে বিরোধী দল বিজেপিকে সাফল্য এনে দিতে না পারে, তার জন্য এখন থেকেই বাঁকুড়া জেলার সংগঠনকে মজবুত করতে দুই ভাগে নয়, একসাথে সংগঠন করে দলকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছেন তৃণমূল নেত্রী বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। তবে এতসব করেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বাঁকুড়া থেকে পদ্মফুলকে মিশিয়ে ঘাসফুল ফোটাতে পারেন কিনা, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!