এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > মমতার ভাষন বন্ধের আর্জি দিলীপ ঘোষের, সরগরম রাজ্য রাজনীতি!

মমতার ভাষন বন্ধের আর্জি দিলীপ ঘোষের, সরগরম রাজ্য রাজনীতি!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – নির্বাচনী জনসভা থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। তবে সম্প্রতি সংখ্যালঘুদের উদ্দেশ্যে তার বার্তাকে কেন্দ্র করে রীতিমত সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। যেখানে বিজেপির পক্ষ থেকে তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে আদর্শ আচরণবিধি লংঘন করার অভিযোগ তোলা হয়। আর এই পরিস্থিতিতে বিজেপির পক্ষ থেকে যখন তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানানো হল, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণ বন্ধ করার আবেদন জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

বলা বাহুল্য, বুধবার প্রচার করতে গিয়ে উত্তরবঙ্গে আক্রান্ত হন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আর তারপরেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠতে শুরু করে। স্বাভাবিক ভাবেই পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তেজিত হয়ে উঠেছে। আর এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণ নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে কার্যত চাপের মুখে ভরে দিলেন মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ।

এদিন এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “কয়েকদিন ধরে যে ধরনের ভাষণ মুখ্যমন্ত্রী দিচ্ছেন, তার থেকে স্পষ্ট, উনি বুঝে গেছেন যে জেতার কোনো সম্ভাবনা নেই। উনি বাংলার সর্বনাশ করে দিয়ে যাবেন। তাই হিন্দু-মুসলিম করছেন। সংখ্যালঘুদের ভয় দেখাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণ বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছি। কোনো জনসভায় ভাষণ দিতে না পারেন উনি, সেটা নির্বাচন কমিশনকে দেখতে হবে। উনি ভাষণ দিলে দাঙ্গা বাধবে। সম্প্রীতি নষ্ট হবে।” আর তৃতীয় দফার নির্বাচনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণ নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে দিলীপ ঘোষ যে কথা বললেন, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

একাংশ বলছেন, তৃণমূলে শেষ কথা বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন জনসভায় গিয়ে তৃণমূল প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চাইতে দেখা যাচ্ছে স্বয়ং তৃণমূল সুপ্রিমোকে। এক্ষেত্রে স্থানীয় নেতাদের ওপর ক্ষোভ থাকলেও মানুষ যাতে তাকে দেখে ভোট দেন, তার জন্য প্রতিটি জায়গায় আবেদন করছেন তৃণমূল নেত্রী। সেদিক থেকে তৃণমূলের প্রধান মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তার বার্তাকে কেন্দ্র করে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে দিলীপ ঘোষ যে দাবি তুললেন, তাতে যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস।

এখন সত্যি সত্যিই বিজেপি রাজ্য সভাপতির এই দাবিমত যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে তৃণমূল ভোটের মুখে তৃণমূল যে যথেষ্ট বিড়ম্বনার মুখে পড়ে যাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!