এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > দলীয় সভায় মমতার অনুপস্থিতি! শীর্ষস্তরেও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! জোর জল্পনা রাজ্যে

দলীয় সভায় মমতার অনুপস্থিতি! শীর্ষস্তরেও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! জোর জল্পনা রাজ্যে



 

মতুয়া মহাসংঘ অনেক উত্থান-পতনের সাক্ষী। তবে রাজ্যের ক্ষমতা দখলে তাদের যে একটা বড় অবদান রয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। কিছুদিন আগেই প্রয়াত হয়েছেন মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি বড়মা বীণাপাণি দেবী। আর তার মৃত্যুর পর থেকেই কার্যত দ্বিধাবিভক্ত হয়ে গিয়েছে সেই মতুয়া পরিবার।

যারা একদিকে তৃণমূল পন্থী প্রাক্তন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর এবং অন্যদিকে বিজেপির বর্তমান সংসদ শান্তনু ঠাকুর। দুজনেই প্রকৃত মতুয়া আদর্শে দীক্ষিত বলে সব সময় দাবি করেন। জেঠিমা এবং ভাইপোর সম্পর্ক হলেও বিপরীত মেরুর দল দুই ব্যক্তি করায় তাদের মধ্যে সেই সম্পর্ক কার্যত তলানিতে ঠেকেছে। ফলে অনেক দিন ধরেই মতুয়া মহাসঙ্ঘের দ্বিধা-বিভক্ত ভাব প্রকাশ্যে এসেছিল।

কিন্তু এবার ধর্মতলায় গান্ধীমূর্তির পাদদেশে মতুয়াদের অবস্থান-বিক্ষোভ সেই দ্বিধাবিভক্ত ভাগের মধ্যে আবার খন্ডচিত্র প্রকাশ করে দিল। জানা গেছে, এদিন এনআরসির প্রতিবাদে ধর্মতলায় সারা ভারত মতুয়া সঙ্ঘের অবস্থান কর্মসূচি হওয়ার কথা ছিল। সেইমত বেলা 11 টায় প্রত্যেকে ব্যানার, পোস্টার নিয়ে জমায়েত হয়েছিলেন। যেখানে উপস্থিত ছিলেন গাইঘাটার তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে এদিনের এই কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকতে দেখা গেল প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা পরিবারের অন্যতম সদস্যা মমতাবালা ঠাকুরকে। শুধু তাই নয়, এদিন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হওয়া এই বিক্ষোভ ঠিক কিসের জন্য, তাও বোঝার উপায় ছিল না।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

কেননা বিক্ষোভ এনআরসির বিরুদ্ধে বলা হলেও, পোস্টারে সিএবির প্রতিবাদে বিক্ষোভ বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। আর এখানেই প্রশ্ন, যেখানে মতুয়ারা বরাবর শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার দাবি জানিয়েছে, সেখানে সংসদে দাঁড়িয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেই শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া হবে বলে জানানোর পরও, কেন সেই মতুয়া সমাজের একাংশ এইভাবে পথে নামলেন!

আর যদি মতুয়া সমাজ এর বিরুদ্ধেই যায়, তাহলে কেন সেখানে উপস্থিত থাকতে দেখা গেল না সেই পরিবারের সদস্যা তথা প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরকে! এদিন এই প্রসঙ্গে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, “মমতাবালা ঠাকুর অসুস্থ। তাই তিনি এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে পারেননি।” তবে এই ব্যাপারে সেই মমতাবালা ঠাকুরের গলায় অবশ্য শোনা গেল অন্য কথা।

এদিন তিনি বলেন, “আমি অসুস্থ। কিন্তু আমার সঙ্গে আলোচনা করে কর্মসূচি ঠিক করা হয়নি।” আর এখানেই প্রশ্ন, তাহলে কি এবার ধীরে ধীরে তৃণমূল ত্যাগ করে ঘরে বসে পড়ছেন মমতাবালা ঠাকুর! আর তাই কি দলের কর্মসূচিতে যোগ দিলেন না তিনি! নাকি দল তাকে এড়িয়ে যাচ্ছে! যদি এই সম্ভাবনার মধ্যে কোনো একটা হয়, তাহলে মতুয়া মহাসংঘে যে ফের ফাটল ধরতে চলেছে, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!