এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > একটা-দুটো বিজ্ঞাপন নিতেই সিবিআই- ইডির রোজ ডাক! দলীয় মুখপত্র নিয়ে রাগে ফুঁসছেন তৃণমূল নেত্রী

একটা-দুটো বিজ্ঞাপন নিতেই সিবিআই- ইডির রোজ ডাক! দলীয় মুখপত্র নিয়ে রাগে ফুঁসছেন তৃণমূল নেত্রী



বর্তমানে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি তো বটেই, বামফ্রন্ট-কংগ্রেসও প্রতিদিনই নিত্য নতুন দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। সারদা-নারদা নিয়ে এমনিতেই তৃণমূল সরকার চরম অস্বস্তিতে। এদিন আবারও সেই অস্বস্তি বাড়লো। সম্প্রতি সিবিআইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে শোনা যাচ্ছে, সারদা চিটফান্ডের টাকা তৃণমূলের মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’ কাজে লাগিয়েছে।

আর এই অভিযোগ ওঠার পর থেকেই তৃণমূল নেত্রী ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। এই প্রসঙ্গেই এদিন নজরুল মঞ্চে ‘জাগো বাংলা’র উৎসব সংখ্যার প্রকাশ অনুষ্ঠানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিবিআই এর বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন। তিনি বললেন, “একটানা দুটো বিজ্ঞাপন নিয়েছে, সে কারণে রোজ বিব্রত করছে।” উল্লেখ্য, অতিসম্প্রতি ‘জাগো বাংলা’র নাম উঠে এসেছে। সিবিআই, তদন্তে গতি আনতে ডেরেক ও’ব্রায়েন কে ডেকে পাঠায়, জিজ্ঞাসাবাদ চলে।

সিবিআই এর তরফ থেকে জিজ্ঞাসা করা হয়, সারদার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কিভাবে তৃণমূলের মুখপত্রে গেল? এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তবে ‘জাগো বাংলা’ নিয়ে তিনি গর্বের সাথে বলেছেন, “সিপিএমের প্রার্থীর কাগজ গণশক্তি সরকারি বিজ্ঞাপনে চলত। আমি গর্ব করে বলতে পারি, গত আট বছরে একটাও সরকারি বিজ্ঞাপন দিতে দিইনা জাগো বাংলায়। একটা আদর্শ মেনে চলি। কোথাও একটা না দুটো বিজ্ঞাপন নিয়েছে, তা নিয়ে রোজ জাগো বাংলাকে বিব্রত করা হয়।”


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

‘জাগো বাংলা’ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, “বিরোধী যখন ছিলাম, পার্থদা আর আমি মিলে জাগো বাংলা শুরু করেছিলাম। এটাকে প্রাত্যহিক করব। সব আস্তে আস্তে হবে। সবাই বিনা পয়সায় লেখেন। নিজের মতো করে লেখেন। অনেককে বলতে শুনেছি, জাগো বাংলা কাগজটা ভালো লাগে। এটা অন্য বিরোধীদলের মত কুৎসা করে না, দেখলেই ভক্তি হয়। এটা বেঁচে থাকার ঐতিহ্যের, বেঁচে থাকবে ঐতিহ্যের সঙ্গে।”

প্রসঙ্গত ‘জাগো বাংলা’র সম্পাদক ছিলেন সুব্রত বক্সী ও প্রকাশক ছিলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন। তাই ‘জাগো বাংলা’র অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য সিবিআই ডেরেক ও ব্রায়েনকে ওই সংক্রান্ত অ্যাকাউন্টের সমস্ত নথি জমা দিতে বলেছে সিবিআই বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় বিরোধী দলের দাবি, তৃণমূল এখন সত্যিই ফাপড়ে পড়েছে। একটার পর একটা বিষয়ে দুর্নীতি ধরা পড়ছে। দুর্নীতি যে কতদূর ছড়িয়েছে, তা এখনও সঠিকভাবে জানা সম্ভব নয়।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য সম্পর্কে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত হল, যদি ‘জাগো বাংলা’র ক্ষেত্রে দুর্নীতির কোনো প্রমাণ না পাওয়া যায়, তাহলে সিবিআই কোনভাবেই কোন পদক্ষেপ নেবে না। তাই এই নিয়ে ভয়ের কোনো ব্যাপার নেই। সিবিআই এর পদক্ষেপ নিয়ে অবশ্য ক্ষোভ প্রকাশ করা ছাড়া মুখ্যমন্ত্রীও চূড়ান্তভাবে এখনো কিছু বলেননি। তবে ‘জাগো বাংলা’ পত্রিকার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে কিন্তু নিজের ক্ষোভ আর গোপন রাখলেন না তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!