এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছায় রেশন দোকানে এবার যুগান্তকারী পরিবর্তন, বদলে যাবে জীবন

মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছায় রেশন দোকানে এবার যুগান্তকারী পরিবর্তন, বদলে যাবে জীবন



এতদিন রেশনের দোকানে শুধু রেশনসামগ্রীই পাওয়া যেত।কিন্থু এবারে রাজ্যের সমস্ত রেশনদোকানকে শপিং মলের ধাঁচে গড়ে তুলতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার।মানুষের সমস্ত দৈনন্দীন জিনিসপত্র পাওয়া যাবে এখানে। খাদ্য  দপ্তর সূত্রে খবর, এনিয়ে একটি সংস্থার সাথে সরকারের মৌ চুক্তিও স্বাক্ষর হয়েছে। চুক্তিতে বলা আছে, শপিং মলে বিক্রি হয় এমনই 442 টি জিনিস পাওয়া যাবে রাজ্যের প্রায় 22 হাজার রেশন দোকানে। খাদ্য দপ্তর সূত্রে খবর,রাজ্যের এই 22 হাজার রেশন দোকান প্রায়  বন্ধ হয়েযেতে বসেছিল।বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নজরে আনা হলে তিনি এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করেন।এককথায় এই চমকপ্রদ প্রকল্পের পরিকল্পনার পেছনেও রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবনা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,সম্প্রতি রাজ্যে অনুষ্টিত হওয়া বিশ্ববঙ্গ সম্মেলনে উপস্থিত বিনিয়োগকারীদের খাদ্যসরবরাহের ক্ষেত্রে বিনিয়োগের আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি সেখানে রেশন দোকান মারফত দ্রব্যসামগ্রী বিক্রির পরামর্শও দেন তাঁদের।সূত্রে খবর,মুখ্যমন্ত্রীর এই কথায় প্রবল ইচ্ছা প্রকাশ করেন এই বেসরকারী সংস্থা।এরপরই গত মার্চ মাসে খাদ্য দপ্তর ও এই সংস্থার মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় মৌ চূক্তি।কলকাতা সহ রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায় এই সংস্থার বিপনিকেন্দ্র রয়েছে বলে খবর।দুপক্ষের এই চুক্তিতে স্থির হয়েছে, বিপনিগুলো চেয়ে বহুগুনে কম হবে রেশন দোকানের দ্রব্যগুলোর মূল্য।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এ প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন,চলতি মাসের মাঝামাঝি উত্তর 24 পরগনার কয়েকটি রেশন দোকানে পরীক্ষামূলক ভাবে এই চালু করা হবে এই প্রকল্প।প্রথম ধাপে এই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দোকান থেকে পাওয়া গেলেও পরে বাড়ানো হবে পন্যের সংখ্যা। খাদ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন,”এই প্রকল্পের ফলে জীর্নকায় রেশন দোকানগুলি যেমন ঘুরে দাঁড়াতে পারবে,তেমনি সেই দোকানগুলির আয় ও বৃদ্ধি পাবে।ক্রেতারাও খুব কম দামে এখান থেকে জিনিসপত্র পাবেন।” সাথে সাথে তিনি এও বলেন,”খাদ্যসামগ্রীর তালিকায় রয়েছে আইসক্রিম ও।ওই বিপণি সংস্থা রেশন দোকানগুলিকে রেফ্রিজারেটরও দেবে। এদিকে এ নিয়ে রেশন ডিলারদের সংগঠন “অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়ন”এর বিশ্বম্ভর বসু জানিয়েছেন,এখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসই শুধু নয়। হেল্থ ড্রিঙ্কস থেকে হজমের ওষুধও বিক্রি করা হবে।তবে পাওয়া যাবে না কোনো বিলাস সামগ্রী। সূত্রে খবর,বাজারের থেকে বহু কম দামের এই জিনিসগুলো প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু এলাকায় চালু হলেও পরবর্তীতে ছড়িয়ে পড়বে গোটা রাজ্যে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!