এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বিগ্রেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মহার‍্যালির ডাক মুখ্যমন্ত্রীর, লক্ষ্য বিজেপিকে আটকানো

বিগ্রেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মহার‍্যালির ডাক মুখ্যমন্ত্রীর, লক্ষ্য বিজেপিকে আটকানো



ডিসেম্বরে হবে তৃণমূল কংগ্রেসের বিগ্রেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মহার‍্যালি উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের এমনটাই নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় । সব বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দল গুলোকে ওই বিগ্রেডে যোগদান করতে আহ্বান করবেন তিনি। দেশের মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সব বিরোধী শক্তিগুলোকে একজোট হওয়ার মন্ত্র দেবেন তিনি। শাসকদলের বিরুদ্ধে এক আসনে এক প্রার্থী দেবার শ্লোগানও দেবেন তিনি ওদিন। এমনটাই জানালেন তিনি শিলিগুড়ির উওরকন্যার বৈঠকে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

ওদিকে ২১ জুলাই তৃণমূলের বাৎসরিক সমাবেশের আর বেশিদিন বাকি নেই। আর লোকসভা ভোটও গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে আসছে। তিনি চেয়েছিলেন এরকম একটা পরিস্থিতিতে ২১ এর জনসভাকেই বিগ্রেড নিয়ে যেতে। কিন্তু তার জন্য দরকার বিরোধীদের জোটবদ্ধতা। ওদিকে বর্ষার জলকাদা জেরে এখনই সমাবেশে বিগ্রেডে আপত্তি অনেকের। ২০১১ সালেও তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর জুলাই-তেই সমাবেশ বিগ্রেড করেছিলেন। কিন্তু বর্ষায় সে সমাবেশের অবস্থা ল্যাজে গোবরে হয়ে গেছিলো। তাই এবার সেই অতীত অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখেই ২১ -এর সমাবেশে বিরোধীদের বিগ্রেডে যাওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছেন না নেত্রী। ডিসেম্বরের শুকনো মরশুমেই বিগ্রেডে বিরোধীদের আমন্ত্রণ করবেন তিনি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে অবিজেপি জোটের প্রধান মুখ এটা বিরোধীরাও স্বীকার করে নিয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁর সমীকরণ মেনেই সমস্ত নির্বাচন,উপনির্বাচনে বিজেপির পরাজয় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কেন্দ্র থেকে পদ্ম উপড়ে ফেলতে আঞ্চলিক দলগুলোকে সমঝোতায় এনে ফেডারেল ফ্রন্টও তৈরি করে ফেলেছেন তিনি। তাঁর নীতি হল,যে এলাকায় যে দল শক্তিশালী তাকে সেখানে নেতৃত্ব দেওয়া হোক। তার এই ফর্মুলা মেনে বিজেপি বিরোধী জোট যে কত শক্তিশালী হয়েছে তা বোঝা গেছিলো পাটনায় গান্ধী ময়দানে লালুপ্রসাদের মহার‍্যালিতে। অবিজেপি সব দলই শামিল হয়েছিলো তাতে।

এরপর কর্নাটকে কংগ্রেস-জেডিএস জোটের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামীর শপথগ্রহণের দিনও বিরোধীদের ভীড় উপচে পড়েছিলো। এই জোটকেই কাজ লাগাতে চান নেত্রী আসন্ন লোকসভা ভোটে। তাই এবছরের শেষেই বিজেপি সরকারকে বিরোধীদের মজবুত সংগঠনের দৃষ্টান্ত দেখাতে বিগ্রেডে মহাসমাবেশ করাতে চান নেত্রী। সেই সভা থেকেই কেন্দ্র থেকে মোদী সরকারকে হটানোর বার্তা দেবেন নেত্রী। দেশের সব বিজেপি বিরোধীদলগুলোর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। তাই ২১ -এর সমাবেশে তারকারাও জমায়েত হতে পারেন বলেই জানা যাচ্ছে।

এদিকে আগামী ৩০ আগস্ট চেন্নাইয়ে মোদী বিরোধী সমাবেশে বিরোধীদের একজোট হওয়ার ডাক দিয়েছেন ডিএমকে নেতা স্তালিন। বিরোধী জোটের অন্যতম ব্যক্তিত্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সম্প্রতি আম আদমি পার্টির নেতা কট্টর বিজেপি সমালোচক যোগেন্দ্র যাদবের বাড়িতে আয়কর বিভাগের অফিসাররা তল্লাশি চালানোকে কেন্দ্র করে বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান যে গণতন্ত্রে বিরোধীদল থাকবে। তাই সমালোচনাও শুনতে হবে। কিন্তু যে-ই সমালোচনা করছে,তার বিরুদ্ধে কেন্দ্র থেকে স্টেপ নেওয়া হচ্ছে।

পার্টির লোক যা বলছে,সরকারও তাই বলছে। স্যোশাল মিডিয়াকে কাজে লাগিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে। এরপর হুঁশিয়ারী মন্তব্যে সরব হয়ে তিনি জানান যে,”আমি বলছি এখন ক্ষমতায় আছেন বলে এমন কিছু করবেন না যা নিজেদের দিকে একদিন ফিরে আসবে। চিরদিন কেউ ক্ষমতায় থাকবে না।” উল্লেখ্য, এদিনে চা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলন করেন নেত্রী। সেখানে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অরূপ বিশ্বাস,মলয় ঘটক,গৌতম দেব,রবীন্দ্রনাথ ঘোষ,ইন্দ্রনীল সেনের মতো তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতারা। আজই কোলকাতায় ফিরছেন নেত্রী। এমনটাই জানা যাচ্ছে রাজনৈতিক সূত্রের খবর থেকে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!