এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার দুদিনের মধ্যেই কালীঘাটে স্কাইওয়াকের প্রাথমিক কাজে তৎপরতা শুরু

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার দুদিনের মধ্যেই কালীঘাটে স্কাইওয়াকের প্রাথমিক কাজে তৎপরতা শুরু



কথা দিয়ে কথা রাখার নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেতা মন্ত্রীদের তরফে বারবার এই দাবি করা হলে বাস্তবেও সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের মধ্যে দিয়ে সেই কথারই প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছেন বাংলার মানুষেরা।

আর তাইতো দুদিন আগে যে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, কালীঘাট মন্দিরের সামনে স্কাইওয়াক হবে। সেই দুদিন যেতে না যেতেই সেই স্কাইওয়াক প্রকল্প নিয়ে তোড়জোড় শুরু করে দিলো কলকাতা পৌরসভা। সূত্রের খবর, গত শনিবারে এনিয়ে পুর ভবনে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। আর সেখানে আলোচনার পরই গতকাল কালীঘাট মন্দির সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন পুর প্রশাসনের আধিকারিকেরা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কালীঘাট মন্দির এবং তার সংলগ্ন এলাকা সংস্কারের কাজ শুরু করে দিয়েছে পুর কর্তৃপক্ষ। তবে তার সাথে যদি মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা মত এই স্কাইওয়াক প্রকল্পটি সত্যিই বাস্তবায়িত হয় তাহলে কালীঘাট মন্দিরের চেহারাই পাল্টে যাবে বলে মত একাংশের।

সূত্রের খবর, সোমবার কালীঘাট মন্দির সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করে ঠিক কোন জায়গায় এই স্কাইওয়াকটি করা যায় সেজন্য দুটি রাস্তার সমীক্ষাও চালান পুরো আধিকারিকরা। বস্তুত, এই কালীঘাট মন্দিরে যেতে গেলে তিনটি রাস্তা দিয়ে যাওয়া যায়। প্রথমটি কালীঘাট ট্রামডিপো বা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী রোডের দিক থেকে, দ্বিতীয়টি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়া বলে পরিচিত হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের উল্টো দিক থেকে এবং এবং তৃতীয়টি কেওড়াতলা শ্মশানের দিক থেকে।

ফলে এই তিনটি রাস্তার মধ্যে ঠিক কোন পথকে স্কাইওয়াক হিসেবে বেছে নেওয়া হবে তা নিয়ে জোর আলোচনা চালাচ্ছেন পুরকর্তারা। তবে এই স্কাইওয়াক করতে গেলে যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেই কারণে হকার এবং নিষিদ্ধপল্লির সমস্ত মানুষজনের সাথে কথা বলে তাদের উপযুক্ত পূনর্বাসনের পক্ষেও মত দিচ্ছেন পুর কর্তারা। কিন্তু দক্ষিণেশ্বরের মত কালীঘাটের স্কাইওয়াকের ক্ষেত্রে অতটা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবে না বলেই মনে করছেন অনেকে।

কেননা, কালীঘাট মন্দিরের এই রাস্তা অনেকটাই চওড়া। ফলে পিলার বসিয়ে স্কাইওয়াক নিয়ে যেতে কোন রকম সমস্যাই হবে না। জানা গেছে, আজ এই প্রকল্পের সমস্ত রিপোর্ট এবং নকশা নিয়ে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে একটি বৈঠক করবেন কলকাতা পুরসভার আধিকারিকেরা।

সূত্রের খবর, কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকেই স্কাইওয়াকটি তৈরি হলেও কেএমডি এর সহযোগিতা নিয়েই সমস্ত কাজ করা হবে। এদিন এই কালীঘাট মন্দির পরিদর্শন নিয়ে কলকাতা পুরসভার পুর কমিশনার খলিল আহমেদ বলেন, “কালীঘাট মন্দিরের আশেপাশের অংশের কাজ করা হয়েছে। পুরো নকশা তৈরি করে এবার আলোচনা শুরু হবে।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

সবমিলিয়ে আগামী 5 ই নভেম্বর দক্ষিণেশ্বর স্কাইওয়াক উদ্বোধনের পর ঠিক কবে এই কালীঘাটেও স্কাইওয়াকের শুভ সূচনা হয় সেদিকেই তাকিয়ে প্রবল আশায় দিন গুনছেন দর্শনার্থী থেকে মন্দির কর্তৃপক্ষরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!