এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > মমতার ঘোষণার পরেই পুরোহিত ভাতা পেতে আবেদনের পাহাড়! ভুয়ো আবেদন বাঁচতে ঘুম ছুটছে অফিসারদের!

মমতার ঘোষণার পরেই পুরোহিত ভাতা পেতে আবেদনের পাহাড়! ভুয়ো আবেদন বাঁচতে ঘুম ছুটছে অফিসারদের!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – কিছুদিন আগেই পুরোহিতদের জন্য ভাতার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তারপরই পুরোহিত সমাজের মধ্যে খুশির হাওয়া বইতে শুরু করেছে। কিন্তু বর্তমানে সেই পুরোহিত ভাতার আবেদন নিয়ে কার্যত হিমশিম অবস্থা পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের। জানা গেছে, পূজার্চনার সঙ্গে যুক্ত না থেকে অনেকেই এই ভাতার জন্য আবেদন করতে শুরু করেছেন। যার ফলে প্রকৃত পুরোহিত কারা এবং কাদেরকে এই ভাতা দেওয়া হবে, তা নিয়ে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছে জেলা প্রশাসন।

জানা গেছে, এখনও পর্যন্ত এই পুরোহিত ভাতার জন্য প্রায় 1850 জনের নামের তালিকা চূড়ান্ত করে রাজ্যে পাঠিয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। তারৎমধ্যে শারদ উৎসবের আগে প্রায় 458 জনের অ্যাকাউন্টে সেই টাকা পৌঁছে গিয়েছে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের একাংশের ধারণা, একটি পরিবারে একজন যজমানির সঙ্গে যুক্ত হলেও, সেই পরিবার থেকে প্রায় 5 থেকে 6 জন এই পুরোহিত ভাতার জন্য আবেদন করছেন। অনেকে জাতিতে ব্রাহ্মণ হলেও, তারা পূজার্চনার সঙ্গে যুক্ত নন।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সেদিক থেকে এই ভাতা শুধুমাত্র পেশাগত পুরোহিতদের জন্যই দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ব্রাহ্মণ সমাজের প্রতিনিধি হয়ে অনেকে পুজো করেন বলে ভুয়ো আবেদনপত্র জমা দিচ্ছেন। যার ফলে কারা প্রকৃত পূজার্চনার সঙ্গে যুক্ত, তা বাছাই করতে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে জেলা প্রশাসনকে। স্বাভাবিকভাবেই এই ধরনের ঘটনা সামনে আসার সাথে সাথেই ইনকোয়ারি করতে ব্লক স্তরে ছুটতে হচ্ছে অফিসার এবং কর্মীদের। যাতে এক্ষেত্রে ভুয়ো আবেদনে কোনোরকম সাড়া দেওয়া না হয়, তার জন্য সমস্ত ব্যাপার খতিয়ে দেখছেন তারা।

এদিন এই প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্টের সম্পাদক তথা পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা শ্রীধর মিত্র বলেন, “জেলায় মোট পুরোহিতের সংখ্যা প্রায় 48 হাজার। তাদের মধ্যে দুঃস্থ পুরোহিতের সংখ্যা 24 হাজার। এই 24 হাজার পুরোহিত ভাতা পাওয়ার জন্য জেলার 25 টি ব্লক ও চারটি মহকুমা শাসকের অফিসে আবেদন করেছেন।” এদিকে এই ব্যাপারে পুরোহিত ভাতা স্কিমের ইনচার্জ পৃথ্বীমান মিত্র বলেন, “ব্লক স্তরে কয়েক হাজার আবেদনপত্র জমা পড়েছে। সেই সব আবেদনপত্র থেকে বাছাই করে তালিকা তৈরি হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, কোনো একটি পরিবারে একজন যজমানির সঙ্গে যুক্ত।”

তিনি আরও বলেন, “অথচ তার আরও চার ভাই ভাতার জন্য আবেদন করেছেন। এই ধরনের বহু আবেদন জমা পড়েছে। আমরা দু দফায় বাছাই করে তালিকা তৈরি করেছি। পুজোই যাদের একমাত্র মূল জীবিকা, একমাত্র তারাই ভাতা পাওয়ার যোগ্য।” তবে এই পুরোহিত ভাতা নিয়ে যে ভাবে একাধিক আবেদনপত্র জমা পড়তে দেখা গেছে, তাতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে জেলা প্রশাসন। এখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে সঠিক পুরোহিত হিসেবে কাদের চিহ্নিত করা হয় এবং কিভাবে এই ভাতা বিলি করা হয়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!