এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > লোকসভা নির্বাচনের আগে জল্পনা বাড়িয়ে তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বড়সড় থাবা বসাল কংগ্রেস – জানুন বিস্তারিত

লোকসভা নির্বাচনের আগে জল্পনা বাড়িয়ে তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বড়সড় থাবা বসাল কংগ্রেস – জানুন বিস্তারিত



আসন্ন লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরু হওয়ার সময় থেকেই কংগ্রেস একা লড়াই করার নীতির কথা বরাবরই জানিয়ে এসেছে। তৃণমূল বা সিপিএমের সঙ্গে জোট বাধার প্রশ্নে নিজেদের নিরপেক্ষ অবস্থানকেই সামনে রেখেছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বারবার নিজেদের তৃণমূলবিরোধী অবস্থান তুলে ধরে সোমেন মিত্র জানিয়েছেন,প্রদেশ কংগ্রেস দরকার হলে একা লড়বে তবে কিছুতেই তৃণমূলের সঙ্গে জোট বাঁধবে না।

ওদিকে বামেদের সঙ্গে কংগ্রেসের জোট বাধা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে। এদিকে লোকসভা ভোটের হাতে গোনা আর তিন-চার মাস বাকি। এই প্রেক্ষিতে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তিবৃদ্ধি বৃদ্ধিকেই ফোকাসে রাখতে চায় সোমেন মিত্র-অধীর চৌধুরীরা। আর সেজন্যেই লোকসভা ভোটের আগে তৃণমুলের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বড়সড় থাবা বসাল কংগ্রেস।

রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে এবার রাজ্যের সংখ্যালঘু কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান কংগ্রেসে যোগ দিলেন। এর আগে বিজেপির সংগঠনের ভীত নড়িয়ে আরএসএসের প্রাক্তন প্রচারক অমলেন্দু চট্টোপাধ্যায়কে দলে টেনেছিল কংগ্রেস।

দিন দুয়েক আগে প্রদেশে কংগ্রেস কমিটির জরুরি বৈঠকের পরই বিধানভবনে এসে দলীয় পতাকা হাতে তুলে নেন রাজ্যের সংখ্যালঘু কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আলি শাহ। প্রাক্তন বাম নেতা লক্ষ্মণ শেঠেরও সেদিন কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার কথা ছিল।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর,লক্ষণ শেঠকে নিয়ে কংগ্রেসের মত পার্থক্য থাকার কারণেই দলে যোগদান করানো হয়নি। প্রসঙ্গত,লক্ষণ শেঠকে কংগ্রেসে যোগদান করালে দল ছাড়ার হুমকি দিয়েছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান। তাছাড়া শুধু আব্দুল মান্নান নন,কংগ্রেসের একাংশও লক্ষণ শেঠকে দলে টাবার বিরুদ্ধে মত দিয়েছেন আর সেজন্যেই লক্ষণ শেঠকে দলে টানার পক্ষে থাকলেও এই মুহূর্তে তাকে নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চান না সোমেন মিত্র। তিনি লোকসভা ভোটের আগে এমন কিছু করতেই চান না যাতে দলের একাংশের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।

এদিন প্রদেশ কংগ্রেসের বৈঠকে বামেদের সঙ্গে আসনরফা নিয়েও আলোচনা হয়। কত আসনের ফর্মুলায় বামেদের সঙ্গে জোট বাঁধবে কংগ্রেস তা নিয়ে কথা চালাচালি হয়। এই প্রেক্ষিতে একে অপরের উপরে চাপও সৃষ্টি করতে থাকে। কংগ্রেস ৪২ আসনে প্রার্থী তালিকা তৈরি করে চাপ সৃষ্টি করল সিপিএমের উপর। এই অবস্থায় সিপিএম কী করবে সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিকমহলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!