এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > ‘বহেনজির’মর্জির উপরেই নির্ভর করছে জোটের ভবিষ্যৎ,কংগ্রেস ক্রমশ কোনঠাসা হচ্ছে

‘বহেনজির’মর্জির উপরেই নির্ভর করছে জোটের ভবিষ্যৎ,কংগ্রেস ক্রমশ কোনঠাসা হচ্ছে



সামনেই 2019।দেশের লোকসভা নির্বাচন।যা নিয়ে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে উন্মাদনা চরমে।কিন্তু এই লোকসভা ভোটের আগেই শাসক দল বিজেপিকে চাপে রাখতে দেশে তৈরি হয়েছে বিরোধী জোট।যার জেরে সদ্যসমাপ্ত উপনির্বাচনগুলিতে বিজেপিকে প্রায় পেছনের সারিতে ফেলে দিয়ে উত্তরপ্রদেশের মত রাজ্যে প্রধান শক্তি হিসাবে উঠে এল ভাই অখিলেশ ও বোন মায়াবতীর জুটি।হিসেব করলে দেখা যাবে,2014 র লোকসভায় এই উত্তরপ্রদেশ থেকেই নিজেদের জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছিল বিজেপি,এবারে নিজেদের সেই গড়ে মোদী-অমিত জুটিকে কার্যত নাস্তানাবুদ করে ছাড়ল অখিলেশ মায়াবতীরা।তবে বিরোধী জোটের এই জয় এলেও এই জোট নিয়ে অনেকেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন।কারন অনেকেরই ধারনা,2019 র লোকসভায় উত্তরপ্রদেশের 80 টি আসনের মধ্যে 80টিই  নিজেদের দখলে রাখার দাবি করতে পারেন মায়াবতী।

কদিন আগেই অবশ্য এ নিয়ে মুখ খুলতেও দেখা গেছিল তাঁকে।”হয় সম্মানজনক আসন বন্টন,নাহলে একলা চলো”এই নীতি কে পাথেয় করে চলা বোহেনজি বিরোধী জোটের ক্ষেত্রে অনেকটাই বাধ সাধতে পারেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।সম্প্রতি দেশের উপনির্বাচনে সবকটি জায়গায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াইয়ে সাফল্যের মুখ দেখে বিরোধী জোট। উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুল,ফুলপুর এবং সম্প্রতি কৈরানার নির্বাচনে হাতে হাত রেখে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামেন কংগ্রেস,রাষ্ট্রীয় লোক দল এমনকী সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজবাদীর মত রাজনৈতিক দলগুলো।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

বিজেপির বিরুদ্ধে কৈরানায় বিরোধীদের প্রার্থী হন আরএলডি তাবাস্সুম হাসান।একের বিরুদ্ধে এক এই নীতিকে ঢাল করা বিরোধী জোটের কাছে টিকতে পারেনি গেরুয়া শিবির।একই চিত্র দেখা গেছে উত্তরপ্রদেশের নূরপুর বিধানসভা আসনটিতে।সেখানেও বিজেপিকে হঠাতে সপা-বসপার জোটের প্রার্থী করা হয়েছিল অখিলেশের সমাজবাদী পার্টি থেকেই।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন,কৈরানা ও নূরপুরে দলিত ভোট বেশি থাকায় তা পুরোটাই গিয়েছে বিরোধীদের দখলে।সূত্র মারফত জানা গেছে,এরপরই মায়াবতীর দল থেকে উত্তরপ্রদেশের লোকসভার 80 টির মধ্যে 80 টিই তাদের দখলে নেওয়ার দাবি উঠেছে।

রাজনৈতিক মহল থেকে এও মনে করা হচ্ছে যে,2014 র লোকসভায় উত্তরপ্রদেশের 80 টি আসনের মধ্যে 34 টিতে বসপা ছিল দ্বিতীয় স্থানে এবং 31 টি আসনে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেছিল সপা।এই আসনগুলিকে টার্গেট করে দুই দলই মনে করছে এর ফলে ভোট ভাগাভাগি না হওয়ায় যাদব ও দলিত ভোট তাদের ঝুলিতেই আসবে।পাশাপাশি এও শোনা যাচ্ছে,মধ্যপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করতে চান উত্তরপ্রদেশের দলিত নেত্রী মায়াবতী।সূত্রে খবর,230 আসনের এই বিধানসভায় 40 থেকে 50 টি আসন বহুজন সমাজবাদী পার্টিকে ছাড়তে পারে কংগ্রেস।এখন এতে বসপার মায়াবতী আদৌ সম্মতি দেন কিনা সেদিকেই চোখ থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!