এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > লজ্জা করছে না শুনতে? প্রকাশ্যেই তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন ক্ষুব্ধ মমতা! কাকে, কোথায়? জেনে নিন

লজ্জা করছে না শুনতে? প্রকাশ্যেই তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন ক্ষুব্ধ মমতা! কাকে, কোথায়? জেনে নিন



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – একুশের বিধানসভা নির্বাচনের দিকে নজর রেখে ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উঠে-পড়ে লেগেছেন রাজ্যের সর্বত্র উন্নয়ন করতে। এদিন প্রশাসনিক বৈঠকে কোনো কোনো দপ্তরের কাজের অগ্রগতিতে প্রশংসা করলেও যেখানে উন্নয়নে খামতি রয়েছে তা নিয়ে সেখানকার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিক বা জেলাশাসকদের এদিন মুখ্যমন্ত্রী তিরস্কার করেছেন প্রবলভাবে। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভের মুখে পড়েছেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী। যদিও এই নিয়ে তিনি কোনো আলাদা মন্তব্য করেননি।

এদিন প্রশাসনিক বৈঠকের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং বীরভূম জেলা প্রশাসনের কাজের মূল্যায়নের আগে করোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন করেন সেখানকার আধিকারিকদের। পূর্ব বর্ধমানের সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে সেখানকার জেলাশাসক বিজয় ভারতী জানান, বর্ধমান কাটোয়া শহরে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু খন্ডঘোস থানায় একসঙ্গে 18 জন পুলিশ কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। যা শুনে মুখ্যমন্ত্রীর পুলিশকর্তাদের নির্দেশ দেন ব্যারাকের পুলিশকর্মীদের আলাদা করার।

অন্যদিকে মুখ্যসচিব রাজীব সিংহ অবশ্য জানিয়েছেন, পূর্ব বর্ধমানে করোনার সুস্থতা অন্যান্য রাজ্যের তুলনায়ও বেশি। এদিন ছোট রাস্তায় যাতে বড় গাড়ি না চলাচল করে, সে প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বাংলা গ্রাম সড়ক যোজনার কথা তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তাই নিয়েই ক্ষোভের মুখে পড়েন পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই তথ্য দেন পূর্ব বর্ধমানের 95 কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তার মধ্যে মাত্র 15.67 কিলোমিটার হয়েছে। আর তাই নিয়েই এদিন মুখ্যমন্ত্রী ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এ প্রসঙ্গে তিনি জেলাশাসককে নির্দেশ দেন ব্লক স্তরের সঙ্গে কথা বলার জন্য।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

একই সাথে পূর্ব বর্ধমানের জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া এবং সভাধিপতি দেবু টুডুর কাছেও তিনি রাস্তার কাজের হাল জানতে চান। মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের সাত দিনের সময় দিয়েছেন বলে জানা গেছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর এই পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে একের পর এক বৈঠক করেছেন। সেই সূত্রে উঠে এসেছে রাস্তা তৈরি সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য জানা গিয়েছে রায়নার বাঁধগাছা থেকে ফতেপুর পর্যন্ত 39 কিলোমিটার রাস্তার কাজ চলছে।

তার সাথেই কাজ চলছে মেমারি 2 ব্লকের কালীবেলে থেকে বড়বাজার পর্যন্ত। সেখানে 19 কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে 13 কিলোমিটার ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে বর্ধমান 2 ব্লকের আমড়া থেকে পালসিট পর্যন্ত সাড়ে সাত কিলোমিটারের মধ্যে ইতিমধ্যে সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা সম্পূর্ণ হয়ে গেছে বলে জানা যাচ্ছে। কালনা 2 ব্লকের রাস্তার 6 কিলোমিটারের মধ্যে 4 কিলোমিটার রাস্তা ইতিমধ্যে তৈরি।  কেতুগ্রাম 2 ব্লকের উদ্ধারনপুর থেকে মৌগ্রাম, খণ্ডঘোষের উজ্জ্বলপুকুরের 10 কিলোমিটার রাস্তা এবং কালনা 2 ব্লকের বৈদ্যপুরের প্রায় 10 কিলোমিটার রাস্তা তৈরির কাজ এখনো চলছে।

এ প্রসঙ্গে রাস্তা তৈরির সঙ্গে জড়িত ইঞ্জিনিয়ারদের একাংশ দাবি করেছেন, বেশিরভাগ রাস্তারই ইতিমধ্যে কাজ শেষ হয়ে গেছে। বাকি কাজ চলছে এখনো। হয়তো রাজ্য প্রশাসনের কাছে সর্বশেষ তথ্য নেই। অন্যদিকে বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনা পরিস্থিতিতে সামলে মুখ্যমন্ত্রী এখন তড়িঘড়ি উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন। মনে করা হচ্ছে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে উন্নয়নই হবে তৃণমূলের মূলমন্ত্র। সে জায়গায় ফাঁকি দিচ্ছেন যারা, তাঁদের জন্য কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী কড়া দাওয়াই তৈরি রাখছেন বলে দাবী অনেকের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!