এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > আর্থিক লাভের জন্য মালক্ষ্মীর ছবি লাগিয়ে উল্টে হয়ে যাচ্ছে ক্ষতি? ‘ভুল’টা জেনে শুধরে নিন এখনই!

আর্থিক লাভের জন্য মালক্ষ্মীর ছবি লাগিয়ে উল্টে হয়ে যাচ্ছে ক্ষতি? ‘ভুল’টা জেনে শুধরে নিন এখনই!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে লক্ষ্মী দেবীকে মনে করা হয় ধন-ঐশ্বর্য প্রদানকারী দেবী। তাই জীবনের সুখ সমৃদ্ধি থেকে জীবনে ধন-সম্পদ আনতে লক্ষ্মী দেবীর পূজা করা হয়ে থাকে। তবে লক্ষ্মী দেবীকে পূজা করার বিভিন্ন পদ্ধতি লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন দেবদেবীর যেমন পুজো করার বিভিন্ন বিধি থাকে, তেমন ভাবেই এই লক্ষ্মীদেবীকে পুজো করার বিভিন্ন বিধি প্রচলিত আছে। তবে সেগুলি যথাযথ পালন করেও যদি আপনার জীবনে লক্ষ্মীলাভ না হয়, তবে ঠাকুরের পট বা চিত্রের অবস্থান দেখেই কিন্তু বুঝে নেওয়া যায়, কোনো বিশেষ সংকেত এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে কি না।

বলা হয়, লক্ষ্মী চঞ্চলা। তাই লক্ষ্মী পুজোর সময় প্রথমেই শান্তভাবে খুব সাবধানতার সঙ্গে এই দেবীর পূজা করতে হয়। তবেই তিনি প্রসন্ন হন। তবে এক্ষেত্রে লক্ষ্মীর সঙ্গে সঙ্গে গণেশ কেউ একসঙ্গে স্থাপনা করে দুজনে একত্রে পূজা করলেও জীবনের সুখ-শান্তি এবং ধনরত্নের বিকাশ হয় বলে মনে করা হয়। এছাড়া প্রতিদিন সকাল বেলায় বিশেষ করে বৃহস্পতিবারে স্নান সেরে সাদা শাড়ি বা কাপড় পরে লক্ষ্মী পূজা করলে সুফল পাওয়া যায় বলে মনে করা হয়। বাংলার সমাজে লক্ষ্মীদেবীকে নিয়ে বিভিন্ন গল্প প্রচলিত আছে। এই গল্পগুলি পাঁচালির আকারে লক্ষ্মীপূজার দিন পাঠ করা হয়। এগুলি তাই লক্ষ্মীর পাঁচালি বলেই পরিচিত। লক্ষ্মীর ব্রতকথাগুলির মধ্যে “বৃহস্পতিবারের ব্রতকথা” সবচেয়ে পরিচিত। এটি প্রতি বৃহস্পতিবার দিনকে সকাল বা সন্ধ্যায় বাড়ির বধূরা পাঠ করে থাকেন। এছাড়াও “বারোমাসের পাঁচালি”-তেও লক্ষ্মীদেবীকে নিয়ে অনেক লৌকিক গল্পের উল্লেখ পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে এমন পাঁচালী পড়লেও জীবনে লক্ষ্মী দেবীর কৃপা লাভের সম্ভাবনা থাকে বলে মনে করা হয়।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

বস্তুত পাঁচালী বা ব্রত কথার মাধ্যমে জীবনে কিছু বিশেষ নিয়মাবলী পালন করাই এই গল্প বা প্রচলিত কাহিনীগুলির মূল বিষয়বস্তু। পাঁচালী বা গল্পগুলো দেখলে দেখা যায় তার মধ্যে রয়েছে কিছু নিয়মাবলী পালনের নির্দেশ। যা কিনা মানুষের জীবনে লক্ষ্মী দেবীর কৃপা দৃষ্টি ফেরাতে সহায়তা করে বলেই লৌকিক বিশ্বাস হিসেবে প্রচলিত। এছাড়া, যেদিন লক্ষ্মী পূজা করে সেইদিনকে সাধারণত অনেকে নিরামিষ খেতে পছন্দ করেন। তবে নিরামিষ বা আমিষ যেকোনো খাবারের সঙ্গে এই দিন দুধ এবং চালের পায়েস করে তা লক্ষ্মী দেবীকে উৎসর্গ করলে অনেক ক্ষেত্রে শুভ বলে মনে করা হয়। এছাড়া লক্ষ্মীপুজোর ক্ষেত্রে শঙ্খ খুবই জনপ্রিয়। তাই শঙ্খকে এইদিন পরিষ্কার করে যত্ন করে লক্ষ্মী দেবীর সামনে রাখলেও লক্ষীদেবী সন্তুষ্ট হন বলে মনে করা হয়।

সকলেই জানেন লক্ষ্মী দেবীর বাহন হচ্ছে পেঁচা। আর এই পেঁচা সহযোগেই লক্ষ্মীদেবী ঘরে ঘরে পূজিত হন। তবে এই প্যাঁচার অবস্থানও আপনার পরিবারের সুখ শান্তি ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে বলে মনে করা হয়। তাই দেবীর ছবি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সমস্ত সময় খেয়াল রাখা উচিত মালক্ষ্মী যেন কখনোই প্যাঁচার ওপর বসে আছেন এমন ছবি নির্বাচন করা না হয়। এছাড়া দেবী কোথাও যদি দাঁড়ানো অবস্থায় থাকেন, তবে শেষ ছবি কেনাও উচিত নয় বলে মনে করা হয়। কারণ এতে আপনার পরিবারের আর্থিক ক্ষতি হয় বলে লৌকিক বিশ্বাস রয়েছে। তাই সর্বদা কমলাসনা দেবীর ছবি কেনাই শুভ বলে মনে করা হয়। তবে সর্বশেষে বলা যেতে পারে, শুধুমাত্র পট চিত্র বা মূর্তি স্থাপনাই নয়, আপনার আন্তরিক ভক্তি, বিশ্বাস এবং ভালোবাসাতেই মা লক্ষ্মী আপনার উপর কৃপাদৃষ্টি বর্ষণ করবেন।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!