এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > মুখ্যমন্ত্রীকে “রাজনৈতিক এইডস” বলে কটাক্ষ প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ নেতার, তীব্র অস্বস্তি শাসকদলের

মুখ্যমন্ত্রীকে “রাজনৈতিক এইডস” বলে কটাক্ষ প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ নেতার, তীব্র অস্বস্তি শাসকদলের



রাজনীতিতে কখন কে কার মিত্র হবে, আর কে শত্রু হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারবেন না কেউই। কিন্তু এবার দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের আগে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের এককালের ঘনিষ্ঠ তাকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন। যা নিয়ে এখন তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বস্তুত, একসময় কুমার বিশ্বাস আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন।

প্রায় প্রতিনিয়তই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের হয়ে গলা ফাটাতে দেখা যেত তাকে। কিন্তু এবার দিল্লী বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এককালের সতীর্থ অরবিন্দ কেজরিওয়ালের অস্বস্তি বাড়িয়ে দিলেন। সূত্রের খবর, এদিন কুমার বিশ্বাস অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে “রাজনৈতিক এইডস” বলে কটাক্ষ করেন।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

যেখানে দিল্লিবাসীর প্রতিটি বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “গত পাঁচ বছরের কলঙ্ক সাফ করার সময় এসেছে। দিল্লিবাসীরা, এটাই সময়। যিনি সমাজ, জাতি, সেনা, বন্ধুত্ব, বিশ্বাসের খুন করেছেন, সেই রাজনৈতিক এইডস কেজরিওয়ালকে ভোটের দাপট দেখিয়ে দিন। ঘর থেকে বের হন আর বুঝিয়ে দিন, যদি বানাতে পারি আমরা, তাহলে মেটাতেও পারি আমরা।”

আর এককালের সতীর্থের কাছ থেকে ভোটের মুখে এই ধরনের মন্তব্য শুনে, এখন আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো তথা দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল যে কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে পড়বে, তা বুঝতে বাকি নেই কারোরই। প্রসঙ্গত, একসময় কুমার বিশ্বাস আম আদমি পার্টিতে থাকলেও, 2018 সালে দলের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যায় তাকে।

যার প্রথম এবং প্রধান কারণ, সেই কুমার বিশ্বাসকে রাজ্যসভার আসনে মনোনয়ন না দেওয়া বলেই মনে করেছিল একাংশ। আর এবার দিল্লী বিধানসভা নির্বাচনের মুখে সেই অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে কটাক্ষ করে তার অস্বস্তি বাড়িয়ে দিলেন কুমার বিশ্বাস। কিন্তু প্রতিটি সমীক্ষায় যেভাবে কেজরিওয়ালের জয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে, তাতে শেষ মূহুর্তে প্রাক্তন সৈনিকের কটাক্ষে দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী কতটা বিপাকে পড়েন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!