এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > খুনের দায়ে দল থেকে বহিস্কৃত হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা! তবুও ভয়ে তটস্থ এলাকাবাসী! উঠছে প্রশ্ন

খুনের দায়ে দল থেকে বহিস্কৃত হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা! তবুও ভয়ে তটস্থ এলাকাবাসী! উঠছে প্রশ্ন



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট বিরোধীরা প্রথম থেকেই দাবি করে আসছে, তৃণমূল শিবিরে দুষ্কৃতীদের বাড়বাড়ন্ত। অন্যদিকে সবকিছু জানা সত্বেও তৃণমূল নেতৃত্ব দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনা বলে বহুদিন ধরেই বলে আসছে বিরোধীরা। বিরোধীদের এই দাবি মান্যতা পায় যখন দেখা যায়, জলঙ্গীর সীমান্ত গ্রাম সাহেবনগরে খুন করার পরেও প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতা ঘুরে বেড়াচ্ছে। থানা-পুলিশ তো দূর, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনো রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছেনা।

মানুষের মনে ক্ষোভ জমলেও তাঁরা তা প্রকাশ করতে পারছেনা। তবে কুখ্যাত নেতার ভয়ে প্রাণ হাতে করেই বাস করতে হতো তাঁদের এতদিন। তবে এবার একুশের বিধানসভা নির্বাচনের গোড়ায় এসে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তথা কুখ্যাত নেতা তহিরুদ্দিন মণ্ডলকে এবার দল থেকে বহিষ্কৃত করা হলো। কিন্তু এত দেরিতে এই বহিষ্কার কেন বলে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। এ প্রসঙ্গে জেলা সভাপতি আবু তাহের খান বিশেষ কোনো জবাব দিতে পারেননি বলে জানা গেছে।

মাসখানেক আগে পর্যন্ত তহিরুদ্দিন মণ্ডলের নাম উচ্চারণ করতে পর্যন্ত ভয় পেত দলের নেতারাই। খুনের দায়ে অভিযুক্ত হলেও পুলিশের খাতায় তহিরুদ্দিন ছিল ফেরার। অথচ গ্রামবাসীদের নজরে হামেশাই তহিরুদ্দিন পড়ছে। এমনকি কলকাতার ঝলমলে শপিংমলেও নজরে এসেছে সে। গত 29 জানুয়ারি জলঙ্গীর সাহেবনগর এলাকায় দুজন নিরীহ গ্রামবাসীকে খুন করার পরেই ফেরার হয়ে যায় তহিরুদ্দিন মণ্ডল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ফেরার থাকলেও তহিরুদ্দিন মণ্ডল কিন্তু পঞ্চায়েত সমিতির টেন্ডার, তোলাবাজি চালিয়ে গেছে আড়ালে থেকে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এমনকি দিন কয়েক আগে পর্যন্ত তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা এলাকার দলীয় কার্যালয় খুলে বসে বলে জানা গেছে। তবে তহিরুদ্দিন মণ্ডলকে নিয়ে দলের স্থানীয় নেতাদের মধ্যেও ক্ষোভ জমেছিল। অনেকেই মনে করেন দলীয় পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামী হওয়ার কারণে এতদিন দলে টিকে ছিল তহিরউদ্দিন। তবে সাম্প্রতিক তৃণমূলের সাংগঠনিক রদবদলের ফলে শুভেন্দু অধিকারীর যেমন ক্ষমতা খর্ব হয়েছে, ঠিক সেভাবেই এবার জেলা থেকে তাঁর অনুগামীদেরও পিছু হটতে হচ্ছে। যদিও শুভেন্দু ঘনিষ্ঠরা সেকথা উড়িয়ে দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

তবে তহিরুদ্দিন মণ্ডল সম্পর্কে জলঙ্গীর ব্লক কংগ্রেস সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা জানিয়েছেন, দলের একটা অংশের প্রশ্রয় বরাবরই পেয়ে যাচ্ছিল তহিরুদ্দিন মণ্ডল। ঠিক সেভাবেই পুলিশের হাত থেকেও নিস্তার পাচ্ছিল সে। তবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলীয় ভাবমূর্তিকে স্বচ্ছ করার জন্যই এই বহিষ্কার করা হল বলে মনে হচ্ছে। অন্যদিকে জেলার পুলিশ সুপার কে শবরী রাজকুমার জানিয়েছেন, তহিরুদ্দিন মণ্ডলের খোঁজ চালানো হচ্ছে। বহিষ্কারের সঙ্গে তদন্তের কোনো সম্পর্ক নেই।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সামনেই 2021 এর বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগে তৃণমূল শিবির শুদ্ধিকরণের পাশাপাশি দলীয় ভাবমূর্তিকে স্বচ্ছ করে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করেছে। অন্যদিকে বিরোধী শিবির থেকে পুরোটাই বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে নাটকের নামান্তর বলা হচ্ছে। তবে তৃণমূলের এহেন পদক্ষেপের ফলে দলীয় ভাবমূর্তি আদৌ স্বচ্ছ হল কিনা তা সময় বলবে। তবে এই ঘটনা ভোট বাক্সে কোন প্রভাব ফেলে কিনা সেদিকে কিন্তু নজর সবার।

আপনার মতামত জানান -

ট্যাগড
Top
error: Content is protected !!