এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > এবার বিজেপি সংসদের বিরুদ্ধে থানায় ডায়েরি করল তৃণমূল, কেন? জেনে নিন

এবার বিজেপি সংসদের বিরুদ্ধে থানায় ডায়েরি করল তৃণমূল, কেন? জেনে নিন



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – এবার ভারতীয় জনতা পার্টির সাংসদকে চাপে রাখতে অভিনব পদক্ষেপ গ্রহণ করল তৃণমূল কংগ্রেস। গত লোকসভা নির্বাচনে বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে জয়লাভ করেছিলেন বিজেপির এসএস আলুওয়ালিয়া। আর এবার সেই হেভিওয়েট বিজেপি সাংসদকে এলাকায় দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না বলে থানায় মিসিং ডায়েরি করলেন তৃণমূল সমর্থকরা। যার ফলে ব্যাপক চাপে পড়লেন সেই বিজেপি সাংসদ বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বাংলায় অভূতপূর্ব ফলাফল করেছিল। তারপর থেকেই বিজেপি সাংসদদের এলাকার উন্নয়নে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। আর এবার বর্ধমান দুর্গাপুরের বিজেপি সাংসদকে চাপে রাখতে তার বিরুদ্ধে থানায় মিসিং ডায়েরি করলেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা।

কিন্তু কেন এই ভাবে তৃনমূলের কর্মী-সমর্থকরা সেই বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে থানায় মিসিং ডায়েরি করলেন? এদিন এই প্রসঙ্গে বেশ কিছু তৃণমূল কর্মী সমর্থক বলেন, “মায়াবাজার রেলগেট, অ্যালয় স্টিল প্লান্টের বিলগ্নীকরন, 41 থেকে 43 নম্বর ওয়ার্ডে মাঝের গার্ডওয়ালে এই সমস্ত ইস্যুতে সাংসদের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য সকলেই উদগ্রীব। কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে তাকে দেখা যাচ্ছে না। তাই তারা তাদের সমস্যার কথা বলতে পারছেন না। সেই কারণেই সাংসদকে খুঁজে দেওয়ার আবেদন জানিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” আর তৃনমূলের কর্মী সমর্থকরা বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে এইরূপ মিসিং ডায়েরি করায় এই বিজেপি সাংসদ যে চরম অসুবিধার মুখে পড়লেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

যদিও বা তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছেন বর্ধমান দুর্গাপুরের বিজেপি সাংসদ সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। তিনি বলেন, “যারা অভিযোগ করছেন, তারা কোনো আলোচনার জন্য আমাকে কোনোদিন ফোন করেনি। আমাকে দৈনিক গড়ে 200 জন ফোন করেন। তারা সুফল পেয়েছেন। আমি কাউন্সিলর নই যে আমাকে এলাকাতে থাকতে হবে। সার্ভিস রোড মেরামতি সহ বিভিন্ন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে সমাধান করেছি। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ করে কোনো ফায়দা তোলা যাবে না।”

অর্থাৎ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং থানায় মিসিং ডায়েরি করা হলেও গোটা ঘটনাকে কার্যত ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করতে শুরু করলেন বিজেপি সাংসদ। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্ধমান-দুর্গাপুরে শাসক-বিরোধী তরজা চরম আকার ধারণ করবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!