এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > খুব অল্প সময়ের জন্য বাংলায় পা প্রধানমন্ত্রীর, ‘সৌজন্য সাক্ষাতে’ হেভিওয়েট রাজ্যের মন্ত্রী!

খুব অল্প সময়ের জন্য বাংলায় পা প্রধানমন্ত্রীর, ‘সৌজন্য সাক্ষাতে’ হেভিওয়েট রাজ্যের মন্ত্রী!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – বিহারে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচন চলছে। এদিকে সামনেই আসছে 2021 এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। এই দুইয়ের মধ্যে যোগসূত্র বানিয়ে রাখতে এদিন বাংলার মাটিতে সামান্য সময়ের জন্য পা রাখলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদি। এদিন বিহার যাবার পথে ঝটিকা সফরে বাংলায় সামান্য সময় কাটিয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উত্তরবঙ্গের বাগডোগরা এয়ারপোর্টে মাত্র15 মিনিটের জন্য এসেছিলেন। কিন্তু এই 15 মিনিটেই সৌজন্যের উদাহরণ স্থাপন করলেন রাজ্যের অন্য এক হেভিওয়েট মন্ত্রী গৌতম দেব।

মঙ্গলবার বিহার যাওয়ার সময় বাগডোগরা বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অবতরণ করেন কিছু সময়ের জন্য। সেখানেই মোদির সঙ্গে দেখা করতে যান কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক, জলপাইগুড়ির জয়ন্ত রায়, বালুরঘাটের সুকান্ত মজুমদার। তাঁদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদী কিছু সময়ের আলাপ-আলোচনা চালান। এ প্রসঙ্গে নিশীথ প্রামাণিকের দাবি, বিধানসভা ভোটে উত্তরবঙ্গে গেরুয়া শিবিরের ভালো ফলের আশা করছেন প্রধানমন্ত্রী, সেরকমই বার্তা দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী মোদি যে খুব শীঘ্রই আবার বাংলায় ফিরবেন সেকথাও জানান। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে দলের তিন সাংসদ গেরুয়া শিবিরের কর্মীদের খুন হওয়া নিয়ে যথেষ্ট ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ জানান।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

নিশীথ প্রামাণিক এদিন প্রধানমন্ত্রীকে জানান, রাজবংশী সম্প্রদায়ের অনেকেই খুন হচ্ছেন রাজ্যে। অন্যদিকে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে যখন রাজনৈতিক হত্যার অভিযোগ জানাচ্ছে গেরুয়া শিবিরের সাংসদরা, ঠিক সেসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে বাগডোগরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হলেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তিনি সৌহার্দ্য বিনিময় করেছেন বলে জানা গিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজনৈতিক সংঘাত যাই থাকুক দুই দলের মধ্যে কিন্তু দেশের প্রধানমন্ত্রীকে যে দলীয় দ্বন্দ্ব এড়িয়ে যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়া উচিত সে কথাই বুঝিয়ে দিলেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী।

অন্যদিকে বিশেষজ্ঞদের মতে, 2011 বিধানসভা নির্বাচন বাংলার দরজায় কড়া নাড়ছে। ঠিক এই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলায় পদার্পণ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। হয়তো খুব সামান্য সময়ের জন্যই প্রধানমন্ত্রী মোদী বাংলায় এলেন, কিন্তু তা গেরুয়া শিবিরের আত্মবিশ্বাস জোগানোর জন্য যথেষ্ট কার্যকরী বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী যেভাবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌহার্দ্য বিনিময় করলেন তা রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে অনন্য নজির সৃষ্টি করল বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!