এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া > “খেলা হবে বলে ভীতি প্রদর্শন করার চেষ্টা করছে, রক্তের হোলি খেলার চেষ্টা করছে।” – বিস্ফোরক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়

“খেলা হবে বলে ভীতি প্রদর্শন করার চেষ্টা করছে, রক্তের হোলি খেলার চেষ্টা করছে।” – বিস্ফোরক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট –আজ বাঁকুড়াতে জনসভা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাঁকুড়ার সভা থেকে প্রধান প্রতিপক্ষ বিজেপিকে প্রবল ভাষায় আক্রমণ করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণের পর তার জবাবে পাল্টা জবাব দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন বন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বাঁকুড়াতে জনসভা করলেন ডোমজুড়ের প্রাক্তন বিধায়ক ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখান থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি জানালেন যে, খেলা হবে বলে ভীতিপ্রদর্শনের চেষ্টা করছে তৃণমূল, রক্তের হোলি খেলার চেষ্টা করছে তৃণমূল।

বাঁকুড়ার জনসভা থেকে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন যে, দিল্লিতে এখন পরিবর্তনের কোন সম্ভাবনা নেই। এই নির্বাচন বাংলার। পরিবর্তন আনতে হবে বাংলায়। হারের কথা বুঝতে পেরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার দিল্লির সঙ্গে জড়িয়ে দিচ্ছেন বাংলাকে। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন যে, বিজেপি মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে। ভোটের আগে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিলেও, ভোটের পর বিজেপি প্রতিশ্রুতি ভুলে যায়, মিথ্যের ডুগডুগি বাজায়। এর জবাবে, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন যে, বিজেপি যদি মিথ্যার ডুগডুগি বাজায়। তাহলে ১০ বছরে মুখ্যমন্ত্রী যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেগুলোর কি করেছেন তিনি? ১০ বছরে সরকার যদি মানুষের জন্য কাজ করতো, তাহলে দুয়ারে সরকারের কখনোই দরকার হতো না।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

তৃণমূলের খেলা হবে স্লোগানে সম্পর্কে তিনি জানালেন যে, খেলা হবে এর অর্থ কি? রাজনীতি কি কখনো খেলার ময়দান? রাজনীতি একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। যেখানে মানুষের জন্য কাজ করতে হয়। তৃণমূলের জনসমর্থন কমে গেছে, পায়ের তলার মাটি সরে গেছে, আর একথা বুঝতে পেরেই খেলা হবে বলে ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করা হচ্ছে। রক্তের হোলি খেলার চেষ্টা করছে তৃণমূল। তিনি অভিযোগ করেছেন, তৃণমূলের ক্যাডাররা ভোট কেন্দ্রে মানুষকে পৌঁছতে না দিয়ে ভোট লুঠের চেষ্টা করছে।

অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল কর্মীদের ভোট যন্ত্র পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন যে, প্রতিবারই নির্বাচনে হারার ভয়ে মুখ্যমন্ত্রী একটা না একটা অজুহাত খাড়া করে থাকেন। গত, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে খারাপ ফলাফলের ভয়ে একটা অজুহাত দিয়েছিলেন তিনি। এবারও তিনি বুঝতে পেরেছেন যে, তিনি হারবেন। তাই ইভিএমের অজুহাত খাড়া করে রেখেছেন তিনি। তবে মানুষ সমস্ত কিছুই বুঝতে পারছে।

আবার, আজ নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূলকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি জানালেন যে, তৃণমূল এখন আমিরুল, সুফিয়ান, সামাদ, শাহবুদ্দিনদের হাতে চলে গেছে। যারা ক্রিকেট ম্যাচে পাকিস্তান জিতলে বোমা ফাটায়। এই ধরনের লুম্পেনদের হাতে চলে গেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল।

 

 

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!