এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > জায়গা ধরে রাখতে দুনম্বরি! খোদ খড়্গপুর আইআইটির বুকে বিস্ফোরক অভিযোগ

জায়গা ধরে রাখতে দুনম্বরি! খোদ খড়্গপুর আইআইটির বুকে বিস্ফোরক অভিযোগ



কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা রাজ্যের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনে এলে অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠাণ থেকে শিক্ষক এবং শিক্ষা সরঞ্জাম ধার করে দেখানোর রীতি রাজ্যে নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই এমন হয়ে আসছে। এবার সেই তালিকায় স্থান পেলো সারা দেশে শ্রেষ্ঠত্বের নিরিখে পঞ্চম স্থান গ্রহণকারী খড়্গপুর আইআইটি । অভিযোগ শিক্ষা ক্ষেত্রে সুখ্যাতি বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠাণ ভুঁয়ো তথ্য প্রদানের মতো অসাধু কাজকর্মের সাথে জড়িত। অন্য কেউ নয় খোদ ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের একাংশ কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের সচিব আর সুব্রহ্মণ্যমকে চিঠি দিয়ে এই অভিযোগ করেছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশনাল র‌্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক (এনআইআরএফ)-এ উপরের দিকে স্থান পাওয়ার আশায় আইআইটি-র পক্ষ থেকে অন্যান্যসব তথ্যের সাথে জানানো হয়েছে প্রতিবন্ধী ছাত্রছাত্রীদের জন্য সব ভবনে লিফট ও র‌্যাম্প এবং উপযোগী শৌচালয় রয়েছে। কিন্তু ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠাণের অভিযোগকারী শিক্ষার্থীদের থেকে জানা গিয়েছে। শারীরিক ত্রুটি সম্পন্ন ছাত্রছাত্রীদের জন্যে বাস্তবে এমন কোনো পরিষেবাই নেই সেখানে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এই ঘটনার কথা জানাজানি হলে তাদের পড়াশুনা এবং রেজাল্টে এর প্রভাব পড়বে মনে করে এই শিক্ষার্থীরা নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে বলার আবেদন জানিয়ে সচিবের কাছে ওই শিক্ষার্থীরা অনুরোধ করেছেন মন্ত্রক থেকে পর্যবেক্ষক পাঠিয়ে আদৌ আইআইটি’তে শারীরিক ত্রুটি সম্পন্ন ছাত্রছাত্রীদের জন্যে সব ধরনের সুবিধা রয়েছে কি না,সেটা খতিতে দেখা হোক। ছাত্রছাত্রীদের করা অভিযোগ পত্রের প্রতিলিপির ভিত্তিতে একটি জনপ্রিয় সংবাদপত্রের পক্ষ থেকে ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠাণে গিয়ে দেখা যায় ধাতুবিদ্যা, মেকানিক্যাল, স্থাপত্য, খনি, সমুদ্রবিদ্যা, অ্যারোস্পেস, কেমিক্যাল, ইলেক্ট্রিক্যাল-সহ বিভিন্ন বিভাগে কোনও র‌্যাম্প বা লিফট নেই। বিশেষ শৌচাগারও নেই। দেশের অন্যতম সেরা এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠাণের অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং গবেষক, প্রতিবন্ধী বাবুরঞ্জন ঠাকুর সেখানকার সুযোগ সুবিধা এবং পরিসেবা সম্বদ্ধে ব্যক্তিগত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বললেন, “র‌্যাম্প না-থাকায় বন্ধুদের সাহায্য নিয়েই সিঁড়ি ভেঙে উঠতে হয়। আমার বিভাগেও তো র‌্যাম্প, লিফট বা বিশেষ শৌচাগার নেই। কষ্ট হয়। অনেক সময় স্নাতক স্তরের ক্লাস নিতে দোতলা-তেতলায় যেতে হয়। তখন তো দুর্বিষহ অবস্থা হয়,””র‌্যাম্প না-থাকায় বন্ধুদের সাহায্য নিয়েই সিঁড়ি ভেঙে উঠতে হয়। আমার বিভাগেও তো র‌্যাম্প, লিফট বা বিশেষ শৌচাগার নেই। কষ্ট হয়। অনেক সময় স্নাতক স্তরের ক্লাস নিতে দোতলা-তেতলায় যেতে হয়। তখন তো দুর্বিষহ অবস্থা হয়।”

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!