এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > কেরল রাজ্যকে খিলাফত রাজ্য তৈরী করার ডাক মুসলিম ধর্মগুরুর! তীব্র সমালোচনা রাজ্যের সর্বত্র

কেরল রাজ্যকে খিলাফত রাজ্য তৈরী করার ডাক মুসলিম ধর্মগুরুর! তীব্র সমালোচনা রাজ্যের সর্বত্র



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – ভারতবর্ষের বুকে সব সময়ই দেখা গেছে সর্ব ধর্ম মিলেমিশে বাস করে। হিন্দু, মুসলিম, খৃষ্টান ছাড়াও আরো বিভিন্ন ধর্ম ভারতবর্ষের বুকে এখনও রয়েছে। কিন্তু তার মধ্যেই বিভিন্ন ধর্মের কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ নিজেদের সুবিধার্থে কখনো কখনো ধর্মের নামে বিভেদ তৈরি করে। আর সেখান থেকেই শুরু হয় দাঙ্গা নামের আগুন জ্বলা। সম্প্রতি কেরালার এক মুসলিম ধর্মগুরু আগামী দশ বছরের মধ্যে কেরালাতে খিলাফত গঠনের অর্থাৎ মুসলিম প্রধান রাজ্য তৈরি করার ডাক দিয়েছেন।

এই নিয়ে তিনি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিওটি প্রকাশ হওয়ার পরেই নেটিজেনদের পক্ষ থেকে তুমুল নিন্দা করা হয়। শুধু তাই নয়, কেরলের হিন্দু ও খ্রিস্টান সম্প্রদায় থেকেও তীব্র নিন্দা করা হয়। এই মুসলিম ধর্মগুরুর নাম মুজাহিদ বালুসেরি। এর আগে তিনি 2017 সালেও এ রকমই বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন এবং হিন্দুদের মন্দির সম্পর্কিত অশ্লীল মন্তব্য করে নিন্দার পাত্র হয়ে উঠেছিলেন। এহেন মুসলিম ধর্মগুরু মুজাহিদ বালুসেরির সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

যেখানে তথাকথিত মুজাহিদদের কাছে কেরলে খিলাফত প্রতিষ্ঠার আহ্বান করতে শোনা যাচ্ছে এই মুসলিম ধর্মগুরুকে। তিনি তাঁর বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে সমস্ত মুসলিমকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘শুধুমাত্র প্রতি শুক্রবার কেরলের সমস্ত মুসলিমকে মুজাহিদ মসজিদে পাঠান। তাহলে আগামী ১০ বছরের মধ্যেই কেরলকে ইসলামিক রাজ্যে পরিণত করব আমরা। কারণ এটা আমাদের কর্তব্য। এর জন্য যদি আমরা কেরলে থাকা মুসলিমদের অন্য শাখাগুলিকে তুলে দিই। এবং তাদের মুজাহিদদের অধীনে নিয়ে আসি তাহলে এই কাজ খুব সহজেই সম্পন্ন হবে। একজন মানুষ নৈতিকভাবে উপযুক্ত হতে পারেন। কিন্তু, তিনি যদি অন্য কোনও ভগবানকে বিশ্বাস করেন তাহলে স্বর্গে যেতে পারবেন না।’

এই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে সাম্প্রদায়িকতার সুর খুব তীব্রভাবে প্রকাশ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই কেরলে শুরু হয়েছে তুমুল সমালোচনা। তবে এখনো পর্যন্ত কেরল সরকারের পক্ষ থেকে এই ঘটনা প্রসঙ্গে কোন মন্তব্য করা হয়নি। তবে আইন অনুযায়ী সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়ালে তাঁকে সাথে সাথেই গ্রেপ্তার করা হয়। আপাতত এই ঘটনা নিয়ে কেরলের রাজ্য সরকার মুজাহিদ বালুসেরির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে কিনা সে দিকেই এখন লক্ষ্য সবার।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!