এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > করুণানিধির মৃত্যুর পর কি হবে তাঁর গোপালপুরমের বাড়ি? তাঁর ইচ্ছার কথা জানলে কুর্নিশ করবেন

করুণানিধির মৃত্যুর পর কি হবে তাঁর গোপালপুরমের বাড়ি? তাঁর ইচ্ছার কথা জানলে কুর্নিশ করবেন



তামিলনাড়ু রাজ্যের পাঁচ বারের মুখ্যমন্ত্রী এম করুণানিধির মৃত্যুর পরে সম্পত্তির ভবিষ্যত নিয়ে শুরু হয়ে জোর জল্পনা। জানা যাচ্ছে  করুণানিধি তাঁর চেন্নাইয়ের গোপালপুরমের বাড়িটি হাসপাতাল নির্মাণের জন্য দান করেছেন। উল্লেখ্য এই বাড়িটি ১৯৫৫ সালে সর্বেশ্বর আইয়ারের কাছ থেকে কিনেছিলেন এম করুণানিধি। দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরেরও অধিক সময় এই বাড়িতেই অতিবাহিত করেছেন  ডিএমকে দলের এই প্রয়াত নেতা। এই বাড়ি বহু স্মৃতিবিজরিত। ডিএমকে দলের বহু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এই বাড়ির অন্দর মহলে বসেই একদা নেওয়া হয়েছিলো।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে।

বহু বিশিষ্ট রাজনীতিবিদের সমাগম হয়েছে এই বাড়িতে। ১৯৬৮ সালে বাড়িটি তিনি তাঁর তিন ছেলে আলাগিরি, স্ট্যালিন এবং তামিলারাসু-র নামে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছিলেন। তারপর ২০০৯ সালে বাড়িটিকে গরিবদের হাসপাতাল করতে মনস্থ করেন। রাজ্যের গরিব মানুষেরা যাতে বিনা খরচে চিকিৎসা করতে পারেন তাই গোপালপুরমের এই বাড়িটি হাসপাতাল করতে চেয়েছিলেন করুণানিধি। তাঁর ভাবনাকে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে ২০১০ সালে  কলাইনারের ৮৬তম জন্মদিনের আগের রাতে বাড়িটির দানপত্রে সাক্ষর করে দেন ডিএমকে দলের সুপ্রিমো এম করুণানিধি। এরপরে সেই দানপত্র আন্নাই অঞ্জুগাম ট্রাস্টের হাতে তুলে দিয়েছিলেন।

সেই সময়েই তিনি জানিয়েছিলেন তাঁর এবং তাঁর স্ত্রীর অবর্তমানে বাড়িটিকে গরিবদের হাসপাতাল করা্র কথা এবং একইসাথে হাসপাতালের নাম কলাইনার করুণানিধি হাসপাতাল রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন। দানপত্র করার পর তিনি প্রকাশ্যেই বলেছিলেন, “এটা একটা স্মরণীয় মুহূর্ত। আমি একজন যুক্তিবাদী মানুষ। আজ আমি খুশি। আধ্যাত্মবাদী হলে বলতাম আমার আত্মা শান্তি পেয়েছে।” ছেলেদের নামে রেজিষ্ট্রি করে দেওয়া বাড়ি তিনি হাসপাতাল করতে চাইছেন তাঁর এই ইচ্ছার কথা প্রকাশ্যে আসার পরেই স্বভাবত সকলে তাঁকে প্রশ্ন করে তাঁর এই সিদ্ধনাত কী ছেলেরা সমর্থন করবে ? জবাবে তিনি আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিমায় জানিয়েছিলেন , “সন্তানরা আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধাচরণ করে না।” জানা যাচ্ছে ছেলেদের সঙ্গে আলাপ-‌আলোচনা করেই তিনি গোপালপুরের বাড়িটি ট্রাস্টকে  দান করেছিলেন।

আপনার মতামত জানান -

Top
Facebook Friends
error: Content is protected !!