এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > তৃণমূলের থেকে বিজেপিতে দলবদল নিয়ে বড়সড় দাবি কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীর

তৃণমূলের থেকে বিজেপিতে দলবদল নিয়ে বড়সড় দাবি কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীর



মুকুল রায়কে দিয়ে শুরু হয়েছিল। তারপর যতদিন গিয়েছে, ততই তৃণমূল থেকে দাপুটে নেতা, বিধায়কদের নিয়ে এসে পদ্ম শিবিরের পতাকা তাদের হাতে তুলে দিয়েছে বিজেপি। সম্প্রতি লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে বিজেপির অভূতপূর্ব উত্থানের পরই দিকে দিকে শাসকদলের জনপ্রতিনিধিদের গেরুয়া শিবিরে যোগদানের প্রবণতা আরও বাড়তে থাকে।

আর এই দলবদলের প্রক্রিয়ার মাঝেই 7 দফায় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপির কৈলাস বিজয়বর্গীয়। যা নিয়ে চরম চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিল। এদিকে তৃণমূল থেকে বিভিন্ন নেতা-কর্মী, বিধায়করা বিজেপিতে যোগদান করলে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

অনেকেই বলছেন, এক সময় এই নেতাদের বিরুদ্ধেই তো বিজেপি কর্মীরা লড়াই করে মার খেয়েছিল। ফলে তাদেরকেই ফের বিজেপি নিজেদের দলে আনলে কি দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে না! এই প্রশ্নই যখন ঘোরাফেরা করছে সর্বত্র, ঠিক তখনই এই ব্যাপারে নিজের মত স্পষ্ট করলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এদিন তিনি বলেন, “তৃণমূল দলটা আবর্জনায় ভর্তি। তাই সেখানকার কয়লা থেকে আমরা হিরে বেছে নিচ্ছি।” এদিকে এদিন বাংলায় ক্রমাগত ঘটে চলা হিংসার ঘটনা নিয়েও সরব হন এই বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, নির্বাচন কমিশন, নীতি আয়োগ কিছুই মানেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার অহংকারের জন্যই রাজ্যের ক্ষতি হচ্ছে। উনি নিজের চেয়ার নিয়ে মগ্ন রয়েছেন। বিজেপি স্বাধীনতা দেখাচ্ছে মানে বিজেপি দুর্বল নয়। আমরা কিন্তু হিংসার জবাব হিংসা দিয়েই দিতে পারে। রাজ্যে তুঘলকী রাজত্ব চলছে।”

এদিকে কৈলাস বিজয়বর্গীয় তৃণমূলকে কয়লা বলে সেখান থেকে হিরে তুলে আনা হচ্ছে বলে মন্তব্য করায় তা নিয়ে পাল্টা বিজেপিকে খোঁচা দিয়েছে তৃণমূল। ঘাসফুল শিবিরের দাবি, এক সময় মুকুল রায়, শঙ্কুদেব পন্ডাদের দুর্নীতিবাজ বলেছিল বিজেপি। এখন তাদেরই তারা দলে নিয়েছে। তাহলে কি এই দুর্নীতিবাজরাই তাদের কাছে হিরের সমান! তবে বিজেপির বক্তব্য, আসলে ঘর বাঁচাতে এখন তৃণমূল অনেক কথাই বলবে। কিন্তু ওদের শেষের শুরু হয়ে গেছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!