এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > জোট করেও কেন এমন বিপর্যয় ঘটলো বামফ্রন্টের? বৈঠকে উঠে এলো একাধিক চাঞ্চল্যকর বিষয়

জোট করেও কেন এমন বিপর্যয় ঘটলো বামফ্রন্টের? বৈঠকে উঠে এলো একাধিক চাঞ্চল্যকর বিষয়



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ও আইএসএফের সঙ্গে জোট করেও সাফল্যের মুখ দেখতে পায় নি বামফ্রন্ট। হাজার চেষ্টার পরেও একেবারে শুন্যে গিয়ে ঠেকেছে ফলাফল। দলের এই সার্বিক বিপর্যয়ের পর দুদিনের বৈঠক ডেকেছিল দল। যে বৈঠকে যোগদান করেছিলেন রাজ্য কমিটির ৫২ জন সদস্য, এছাড়া দলের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি ও কিছু জাতীয় নেতৃত্বও বৈঠকে যোগদান করেন। ভার্চুয়াল ভাবে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল।

বৈঠকে দলের বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে নানা বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। সমস্ত সদস্যকে নিজেদের বক্তব্য রাখার সুযোগ দেয়া হয়েছিল। দলের কয়েকজন পলিটব্যুরো সদস্যর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন অনেকে। আবার, জোটের কার্যকারিতা নিয়েও অনেকে অভিযোগ তুলেছেন। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি জানিয়েছেন যে, পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্ট সরকারের সময়ে সংখ্যালঘুদের মধ্যে নিরাপত্তার’ কোন অভাববোধ দেখা যায়নি। অর্থনৈতিক আশা আকাঙ্ক্ষা ছিল। তবে দলের কিছু ঘাটতি ছিল বলে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু এখন বিজেপি বিরোধিতা মূল ইস্যু হওয়ায় অবস্থার কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

তিনি আরও জানিয়েছেন যে, সংগঠনকে রাজনীতিই চেহারা দিয়ে থাকে। রাজনীতির সঙ্গে দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক রয়েছে সংগঠনের। প্রশ্ন হলো, রাজনৈতিক বিকল্পকে যদি তুলে ধরতে না পারা যায়, তবে শুধু দলের সাংগঠনিক কাঠামো দিয়ে কাজ চলবে না। দুদিনের বৈঠক শেষে দলের পক্ষ থেকে এক বিবৃতি সামনে আনা হয়েছে। এই বিবৃতিতে দলের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। ব্যর্থতার কারণ হিসেবে জানানো হয়েছে যে, সিপিএম তথা বামফ্রন্টের ভোটের হার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেয়েছে। শ্রেণি ও জনগণের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সমর্থন কমতে শুরু করেছে।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাজ্যবাসীর অসন্তোষ ছিল। কিন্তু বিজেপি বিরোধী মনোভাবের ফলে লাভবান হয়েছে তৃণমূল। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে যে, তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে তীক্ষ্ণ মেরুকরণ করা হয়েছিল। জনগণ তৃণমুলকেই বিজেপি বিরোধী প্রধান শক্তি হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। বিভিন্ন সহায়তা প্রকল্পকে ব্যবহার করে তৃণমূল জনগণের সমর্থন লাভ করতে পেরেছে। এই ফলাফলের জন্য ধর্মীয় মেরুকরণকে মূলত দায়ী করা না হলেও, এটি একটি কারণ বলা হয়েছে। জানানো হয়েছে, বিজেপির আগ্রাসী প্রচারের বিরুদ্ধে বাংলার জাতিসত্তাকে পুরোপুরি ব্যবহার করতে পেরেছে তৃণমূল।

দুদিনের এই বৈঠকে ত্রিদলীয় জোট নিয়েও অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আবার জোটের মধ্যে আইএসএফ ও কংগ্রেসের দ্বন্দ্বকে অনেকে পরাজয়ের কারণ হিসেবে দায়ী করেছেন। আবার একাধিক পলিটব্যুরো সদস্যর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন অনেকে। আবার সাংগঠনিক দুর্বলতাকেও অনেকে তুলে ধরেছেন। দলের সংগঠন যে দিনদিন দুর্বল হয়ে পড়ছে, তা অনেকেই স্বীকার করেছেন। সবশেষে নিজেদের মধ্যে ক্ষোভ বিক্ষোভ দূর করে দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী দিনের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দলকে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!