এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > চাকরি > চাকরিপ্রার্থী দাদার ইন্টারভিউ নেবে ভাই! পুরসভাতে স্বজনপোষণের বিস্ফোরক অভিযোগ

চাকরিপ্রার্থী দাদার ইন্টারভিউ নেবে ভাই! পুরসভাতে স্বজনপোষণের বিস্ফোরক অভিযোগ



অনেকে বলছেন এ আসলে মাছের তেলেই মাছ ভাজা। চাকরি দিচ্ছে দাদা আর তার ইন্টারভিউ নিচ্ছেন কি না সেই দাদারই ভাই তথা দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান। সূত্রের খবর, 2014 সালের 7 ই আগস্ট এই দাঁইহাট পুরসভার করণিকের একটি পদে এবং মজদুরের আটটি পদে লিখিত পরীক্ষা হয়।

জানা যায়, করণিকের জন্য 7 জন এবং মজদুরের জন্য 60 জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেন। আর যার মধ্যে ছিলেন সেই পুরসভারই চেয়ারম্যান শিশির মন্ডলের দাদা সুরজিৎ মন্ডল। কিন্তু লিখিত পরীক্ষায় কোন অভিযোগ না উঠলেও বিতর্ক দানা বাঁধলো মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে। পুরসভা সূত্রের খবর, গত বৃহস্পতিবার এই পদগুলিতে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।

একাংশের অভিযোগ, ইন্টারভিউ বোর্ডে ভাই তথা চেয়ারম্যান রয়েছে, আর সেখানে পরীক্ষা দিচ্ছেন তারই দাদা। আর এই ঘটনায় গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপোষণের অভিযোগে সরব হয়েছে বিরোধীরা। এদিন এ প্রসঙ্গে এই দাঁইহাট পুরসভার 10 নম্বর ওয়ার্ডের সিপিএম কাউনসিলর অনিন্দ্য মন্ডল বলেন, “এটা কি করে হয়? সিলেকশন কমিটিতে চেয়ারম্যান রয়েছেন অথচ তার দাদা পরীক্ষা দিচ্ছে। এটা চুরান্ত অনিয়মের নিদর্শন।”

পাল্টা এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে এই পুরসভারই প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা সিপিএম নেতা বিদ্যুৎবরণ ভক্ত বলেন, “গোটা ঘটনা থেকেই পরিষ্কার যে এই পুরসভায় কিভাবে স্বজনপোষণ চলছে।” অন্যদিকে বিতর্কে ইত’ এনে পাল্টা সিপিএমের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে 14 নম্বর ওয়ার্ডের সিপিএম কাউন্সিলর কার্তিক চন্দ্র মন্ডলের পরীক্ষা দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেন এই পুরসভার চেয়ারম্যান শিশির মন্ডল।

পাশাপাশি তিনি বলেন, “দাদা মজদুর পদে পরীক্ষা দিয়েছে ঠিক, কিন্তু যখন উনি পরীক্ষা দিয়েছেন তখন আমি পরীক্ষা কেন্দ্রে ছিলাম না এবং আমি ওই ক্যাটাগরির সিলেকশন কমিটিতেও ছিলাম না।”অন্যদিকে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে তিনি কোনো কথা বলবেন না বলে এ দিন পুরো ব্যাপারটি এড়িয়ে যান সেই শিশির মন্ডলের দাদা সুরজিৎ মন্ডল।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

তবে ভাই পরীক্ষা দেওয়ার সময় পুরপ্রধান ইন্টারভিউতে ছিলেন না বলে এদিন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন এই দাঁইহাট পুরসভার কার্যকারী আধিকারিক তুহিনচন্দ্র পাল। সব মিলিয়ে দাদা পরীক্ষার্থী, আর ভাই চেয়ারম্যান ইস্যুতে প্রবল স্বজনপোষণের অভিযোগ উঠল দাইহাটা পুরসভার বিরুদ্ধে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!