এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বর্ধমান > জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা ট্রায়াল ভ্যাক্সিন নেওয়া আমাদের ‘ঘরের ছেলে’ চিরঞ্জিত কেমন আছে জানেন?

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা ট্রায়াল ভ্যাক্সিন নেওয়া আমাদের ‘ঘরের ছেলে’ চিরঞ্জিত কেমন আছে জানেন?



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – বর্তমানে ভ্যাকসিনের খোঁজে সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা নিজেদের জীবনের সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করে চলেছে। ইতিমধ্যে অনেক ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে। অনেক ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহারও করা হয়েছে বিভিন্ন মানুষের শরীরে। সেক্ষেত্রে ভালো সাড়াও পাওয়া গেছে। তবে আছেন সেসব ট্রায়ালে অংশগ্রহণ করা মানুষেরা? আসুন জেনে দেখি

দুর্গাপুরের বাসিন্দা চিরঞ্জিৎ ধীবর এই ভ্যাকসিনের মানবদেহে ট্রায়ালের জন্য স্বেচ্ছায়ই নিজের নাম নথিভুক্ত করেন। এরপর টিকা নিতে ভুবনেশ্বর গেলে, ভুবনেশ্বরের The IMS & SUM হাসপাতালে অনুষ্ঠিত ওই ট্রায়ালের জন্য নির্বাচিত হন তিনি। সেই মত ২৪শে জুলাই ভুবনেশ্বর পৌঁছে তিনি এই টিকা গ্রহণের জন্য আদৌ উপযুক্ত কিনা, সেই জন্য ডায়াবিটিস, হাইপারটেনশন, হার্ট, কিডনি এবং লিভার সহ মোট ৫০ ধরনের টেস্ট করান।

এরপর চিরঞ্জিৎবাবু সম্পূর্ণ সুস্থ থাকায় ২৯ শে জুলাই সেই পরীক্ষার সময় উপস্থিত হয়। চিরঞ্জিৎ ধীবরের শরীরে প্রথম পর্বের ডোজ প্রয়োগ করা হয়, তারপর ১২ই অগাস্ট দ্বিতীয় পর্বের ডোজ প্রয়োগ করা হয়। ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়ার ৭ দিন ও ১৪ দিনের মধ্যে অ্যান্টিবডি টেস্টের জন্য রক্ত নিয়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার ২৮তম দিনে অর্থাৎ ২৬ শে অগাস্ট ব্লাড স্যাম্পেল দিয়ে, শারীরিক অবস্থার কোন রকম সমস্যা না থাকায় তাঁকে বাড়ি ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়। তবে আবারও ১০৪তম ও ১৯৪তম দিনে তাঁকে কিছু পরীক্ষার প্রয়োজনে ভুবনেশ্বর যেতে হবে বলে জানা গেছে। তবে বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থই আছেন তিনি।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, অক্সফোর্ডের তৈরি একটি ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগে ভালো সাড়া মিলেছিল বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। যেটির নাম ছিল অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন। অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের প্রথম পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হওয়ার পরেই ভারতে এই টীকা তৈরির লাইসেন্স পায় সেরাম ইনস্টিটিউট। এরপর প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষা হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

সম্প্রতি এই ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমোদন পাওয়ার পর প্রাথমিকভাবে ১৭টি ক্লিনিককে বেছে নেওয়া হয়েছে এই ট্রায়ালের জন্য। আর সেক্ষেত্রে ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে যাদের বয়স, এমন ৩২০ জন স্বেচ্ছাসেবকের শরীরে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হবে বলে জানা গিয়েছিল। সেই ট্রায়ালের অংশগ্রহণ করেছিলেন দুর্গাপুরের ওই বাসিন্দা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!