এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > “যারা ধর্মের কথা বলে, তারা কিভাবে গুলি চালাতে পারে!” বিজেপির উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন মমতা!

“যারা ধর্মের কথা বলে, তারা কিভাবে গুলি চালাতে পারে!” বিজেপির উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন মমতা!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হওয়ার পর থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে বারবার ধর্মীয় বিভাজনের অভিযোগ করেছেন তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনিতেই বিজেপির বিরুদ্ধে বারবার ধর্মে-ধর্মে ভেদাভেদ করার অভিযোগ এনেছেন তিনি। তবে নির্বাচনী প্রচারে আরও বেশি করে তার গলায় বিজেপি বিরোধিতার এই শব্দ শোনা গিয়েছিল। সম্প্রতি চতুর্থ দফার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয় রাজ্যে। যেখানে কোচবিহারের শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলি চালানোর ঘটনায় 5 জন ব্যক্তি মারা গিয়েছেন।

আর এরপর থেকেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই ঘটনার কড়া ভাষায় নিন্দা করে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে। কেন এভাবে নির্বাচনী উৎসবের সময় প্রাণ কারা হল 5 জন ব্যক্তির, তা নিয়ে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর এই পরিস্থিতিতে নদীয়ার রানাঘাটে নির্বাচনী প্রচার সভাপতি শীতলকুচির ঘটনাকে টেনে এনে বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে ধর্ম ধর্ম করা সত্ত্বেও, কেন গুলি চালানো হল, তা নিয়ে বিজেপি নেতাদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন তিনি।

সূত্রের খবর, আজ রানাঘাটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই ব্যাপারে বিজেপিকে প্রশ্ন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “সারাক্ষণ ধর্ম ধর্ম করে। যারা ধর্ম মানে, তারা গুলি চালানোর কথা বলতে পারে? প্রথমে গেরুয়া পড়বে, কপালে তিলক কাটবে, আর পান বাহার চিবোতে চিবোতে হরি হরি করবে। ওরা গেরুয়া করার যোগ্য নয়।”

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মন্তব্যের মধ্যে দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন যে, শীতলকুচির ঘটনার পর বিজেপির অনেক নেতা তাকে প্ররোচনা দিয়েছেন। তাই যারা এত ধর্মের কথা বলে, তারা কিভাবে সেই প্ররোচনামূলক কথা বলতে পারে! তা নিয়ে প্রকাশ্যে সভা থেকে প্রশ্ন তুলে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার ফলে বিজেপি কিছুটা হলেও চাপে পড়ে গেল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

পর্যবেক্ষকদের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মন্তব্য করে এক ঢিলে দুই পাখি মারার চেষ্টা করলেন। এমনিতেই বিজেপির বিরুদ্ধে বারবার ধর্মীয় মেরুকরণ এবং ভেদাভেদের রাজনীতি করার অভিযোগ তুলতে দেখা গিয়েছিল তৃণমূল নেতৃত্বকে। তবে শীতলকুচির ঘটনার পর 4 তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির দিকে অভিযোগ তুলতে শুরু করেছিল শাসকদল। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ থেকে শুরু করে সায়ন্তন বসুর মত নেতারা শীতলকুচির ঘটনাকে পরোক্ষে সমর্থন করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

এমনকি তাদের বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে বর্তমানে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। আর এই পরিস্থিতিতে যে বিজেপি ধর্মের কথা বলে, তারা কিভাবে গুলি চালানোর ঘটনায় প্ররোচনা দেখতে পারে! তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের মরসুমে বিজেপি নেতাদের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে তৃণমূল নেত্রী যে গেরুয়া শিবিরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিলেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। স্বাভাবিক ভাবেই গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!