এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > জঙ্গি জেরায় নতুন তথ্য: বাংলায় ধৃত আলকায়দা জঙ্গিরা আরবে গিয়ে ফান্ড সংগ্রহের চক্করে ছিল?

জঙ্গি জেরায় নতুন তথ্য: বাংলায় ধৃত আলকায়দা জঙ্গিরা আরবে গিয়ে ফান্ড সংগ্রহের চক্করে ছিল?



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – পশ্চিমবঙ্গের বুক থেকে আল-কায়দা জঙ্গি গোষ্ঠী ধরা পড়ার পর একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। তার সাথেই চলছে রাজ্যজুড়ে তুমুল জল্পনা। জঙ্গী নামেই মানুষ আতঙ্কিত, তার ওপর আল-কায়দা জঙ্গি গোষ্ঠীর নাম যখন উঠে এসেছে তখন তা খুব স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। গত কয়েক দিন ধরেই ধৃতদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়ার সমস্ত অ্যাকাউন্ট তন্ন তন্ন করে খুঁজে একের পর এক তথ্য হাতে আসছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনীর।

এবার জানা গেল মুর্শিদাবাদের ধৃত জঙ্গী ফান্ড সংগ্রহের জন্য দ্রুত সৌদি আরব যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সেই মতোই পাসপোর্টের জন্য আবেদনও করা হয়েছিল। ডোমকলের নওদাপাড়া থেকে ধৃত আল-কায়দা জঙ্গি আল মামুন কামালের মার্চ-এপ্রিল মাসে সৌদি আরবের যাওয়ার কথা ছিল। মুর্শিদাবাদ জেলার অনেকেই সৌদি আরবে কাজের জন্য যান। সুতরাং জঙ্গিগোষ্ঠীর ফান্ড সংগ্রহের জন্য আল মামুন কামালের সৌদি আরবে যাবার কথা কেউ ভাবতেই পারেনি।

প্রসঙ্গত আল মামুন কামালের পারিবারিক গণ্ডগোলের জেরে তাঁর নাম থানায় ওঠে। সেই কারণে সময়মতো পাসপোর্ট হবে কি না তা নিয়েও যথেষ্ট উদ্বিগ্ন ছিল মামুন। সৌদিতে যেতে দেরি হচ্ছে বলে সে কেরালায় কাজে যোগদান করে। জানা গিয়েছে, ধৃত মামুনের ওপর ফান্ড সংগ্রহ করার দায়িত্ব ছিল। যেকোনোভাবে অর্থ জোগাড় করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল সে। শেষ পর্যন্ত একটি প্রতিষ্ঠান তৈরির নাম করে রশিদ ছাপিয়েই এলাকায় চাঁদা তুলতে শুরু করে সে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সম্প্রতি সংগঠনের কাজের জন্য কয়েক লক্ষ টাকা প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল বলে জানা গেছে। ঠিক সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। তার সঙ্গে আরেকজন জঙ্গী ধৃত সামিম আনসারিও বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে চাঁদা আদায় করত। তাঁকে শুক্রবার আটক করা হয়েছে। গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকরা দফায় দফায় জেরা করেছে তাঁকে। তবে জানা গেছে, ধৃত আল মামুন এবং ধৃত সামিম আনসারির মধ্যে যথেষ্ট ভালো সম্পর্ক ছিল। আপাতত গোয়েন্দারা বাকিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, প্রথম দিন সামিম আনসারী গোয়েন্দাদের হাতে ধরা পড়েনি। কিন্তু শুক্রবার দুপুরে বাড়ি থেকে বেরোনোর পর তাঁকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা দপ্তরের আধিকারিকরা। তবে সামিমের পরিবারের দাবি, দেড় বছর আগে কেরল থেকে ফিরে আসে সে এবং তারপর অন্য কোথাও কাজে যোগ দেয়নি। কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিল সামিম, তাই সে বাড়ির বাইরে বেরোই নি। গোয়েন্দা দফতরের সামনে জঙ্গিগোষ্ঠীর যে বিপুল কাজকর্ম উঠে এসেছে, তা থেকে স্পষ্ট এই নেটওয়ার্ক তৈরি করতে অনেক বড় মাথা কাজ করছে। নিরন্তর ভারতে বসে ভারতের ক্ষতি করার চেষ্টা চালাচ্ছে জঙ্গি গোষ্ঠীরা। তাই গোয়েন্দাদের চোখের আড়ালে থাকা অন্যান্য জঙ্গিদের খুঁজে বার করতে এবার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!