এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > জনতা কার্ফুতে কি মত রাজ্যের, জেনে নিন!

জনতা কার্ফুতে কি মত রাজ্যের, জেনে নিন!



করোনা মোকাবিলায় 22 মার্চ সারা দেশজুড়ে জনতা কার্ফু জারি রাখার আবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর দেশবাসী মারন ভাইরাসকে আটকানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর এই কার্ফুকে অত্যন্ত ভালোভাবেই গ্রহণ করেছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতা কর্মীকে সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করতে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর এই কার্ফু আমরা মানবো না।

আর তখনই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দেবেন না! আর নানা মহলে যখন তা নিয়ে চরম জল্পনা চলছে, ঠিক তখনই এই ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা গেল রাজ্য সরকারকে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর জনতা কারফিউয়ের বিরোধিতা করলেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ব্যাপারে সচেতন ভাবেই নিজের বক্তব্য রেখেছেন।

শনিবার তিনি বলেন, “এটা একটা সাধারন স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি। এ নিয়ে আমরা আতঙ্কিত হব না। তবে সতর্ক থাকব। আমরা মানবিক। তাই জোর করে কিছু চাপিয়ে দেবো না।” তবে সরকারিভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানালেও, তৃণমূল দল প্রধানমন্ত্রীর এই জনতা কার্ফু পালন করবে কিনা, তার দিকে নজর ছিল সকলেরই। অবশেষে এই ব্যাপারে মুখ খুললেন তৃণমূল মহাসচিব শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এদিন তিনি বলেন, “এই অবস্থায় সরকার ও দলের ফারাক নেই। মুখ্যমন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় করণীয় সমস্ত কিছু ব্যাখ্যা করেছেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে মানুষ প্রয়োজনীয় সর্তকতা অবলম্বন করবেন।” আর পার্থবাবুর এই কথাতেই পরিস্কার যে, তৃণমূলের নিচুতলার নেতারা এই জনতা কার্ফুর যতই বিরোধিতা করুন না কেন, এই সময় যদি সেই কার্ফুর বিরোধিতা করা হয়, তাহলে তৃণমূল অনেকটাই ব্যাকফুটে চলে যাবে। তাই সচেতনভাবেই কার্ফুর পক্ষে এবং বিপক্ষে কোনো মতামত প্রয়োগ না করে, সাধারণ মানুষ যা করবেন সচেতনভাবেই করবেন বলে ব্যাখ্যা করলেন তৃণমূল মহাসচিব।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর জারি করা এই জনতা কার্ফু নিয়ে এদিন নিজের মত ব্যাখ্যা করেন সিপিএমের পরিষদীয় দলের নেতা সুজন চক্রবর্তী। এদিন তিনি বলেন, “এই জনতা কার্ফু ভাঙ্গার ভাবনা আমাদের নেই। করোনা পরিস্থিতিতে কারো চিকিৎসা বা অন্য প্রয়োজনে দলের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত থাকবেন।”

এদিকে রবিবার এই জনতা কার্ফু শুরু হওয়ার আগে সকাল-সকাল কলকাতার রাস্তায় হাঁটতে দেখা যায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। যেখানে তিনি বিকেল পাঁচটার সময় শঙ্খধ্বনি করবেন বলেও জানিয়ে দেন দীলিপবাবু। সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে করোনাকে মারতে জনতা কার্ফু বাংলায় ব্যাপক সাফল্য পাবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!