এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > জঙ্গলমহলে ঘুরে দাঁড়ানোর মুখ পেয়ে গেল তৃণমূল? মমতার ‘পুরোনো সৈনিককে’ ঘিরে তীব্র উৎসাহ

জঙ্গলমহলে ঘুরে দাঁড়ানোর মুখ পেয়ে গেল তৃণমূল? মমতার ‘পুরোনো সৈনিককে’ ঘিরে তীব্র উৎসাহ



গত 2008 সালে বিগত বাম সরকারের বিরুদ্ধে পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী জনসাধারণের কমিটি গড়ে উঠতে দেখা যায়। যেখানে সেই বছর নভেম্বর মাসে জিন্দালের ইস্পাত কারখানার উদ্বোধন করতে গিয়ে ঝাড়গ্রামে গিয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য‌। যেখানে তার সাথে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান।

অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী যখন তার কনভয় নিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক সেখানেই মাইন বিস্ফোরণের মত ঘটনা ঘটে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই সেই সময় থেকে রাজ্য রাজনীতিতে চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। সিআইডি ঘটনার তদন্ত শুরু করতে গিয়ে দেখে যে, এই ঘটনায় মাওবাদী যোগ রয়েছে। এমনকি এই ঘটনার সঙ্গে পুলিশি সন্ত্রাস বিরোধী জনসাধারণের কমিটির যোগ রয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। আর এর পরেই গ্রেপ্তার করা হয় সেই ছত্রধর মাহাতোকে।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

পরবর্তীতে গত 2011 সালে রাজ্যে পালাবদলের এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার আসলেও, সেই ছত্রধর মাহাতোর বন্দিদশা কাটতে দেখা যায়নি। কিন্তু এবার দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে অবশেষে জেল থেকে মুক্তি পেতে চলেছেন সেই ছত্রধর মাহাতো। আর 10 বছর জেলে কাটিয়ে এখন বাইরের প্রকৃতি দেখতে উদগ্রীব তিনি। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই জেল থেকে ছাড়া পেয়ে লালগড়ে ফিরে আসবেন তিন। আর তার এই ছাড়া পাওয়ার খবর শুনে এখন নানা মহলে তৈরি হয়েছে নানা গুঞ্জন।

কেননা একসময় তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতায় আনার জন্য ছত্রধর মাহাতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনেক সহযোগিতা করেছেন বলে নানা মহল দাবি করে। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর, যেভাবে তাকে দীর্ঘ বছর জেলে থাকতে হয়েছে, তাতে সেই ছত্রধর মাহাতো এবার শ্রীঘর থেকে মুক্তি পেয়ে, কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেন কিনা! সেদিকেও নজর রয়েছে সকলের।

কেননা বর্তমান পরিস্থিতিতে ছত্রধর মাহাতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাবু করবার জন্য বিরোধী কোনো রাজনৈতিক দলের নাম লেখান, বা কোনো রাজনৈতিক দল গড়েন, তাহলে তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত অস্বস্তিকর হবে বলেই মনে করছে একাংশ। এখন গোটা পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, আদৌ ছত্রধর মাহাতো কোনো রাজনৈতিক দল করেন, নাকি নিজের মত করেই স্বাভাবিক জীবনযাপন করেন! সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
Facebook Friends
error: Content is protected !!