এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > ভারতের তৈরি ভ্যাকসিনের অপেক্ষায় বিশ্বের একাধিক দেশ। জানুন বিস্তারিত

ভারতের তৈরি ভ্যাকসিনের অপেক্ষায় বিশ্বের একাধিক দেশ। জানুন বিস্তারিত



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – প্রায় এক বছর করোনা আতঙ্কে কাটানোর মধ্যে, মানুষ একান্ত ভাবে অপেক্ষা করেছে ভ্যাকসিনের। নতুন বছরের শুরুতেই খুশির খবর নিয়ে এসেছে ভ্যাকসিন। ভারত, পৃথিবীর বৃহত্তম ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক দেশ। স্বভাবতই, বিশ্বের বহু দেশেই ভ্যাকসিনের জন্য ভারতের দিকেই তাকিয়ে আছে।

বছরের প্রথম দিনই বৈঠকে বসেছিল কেন্দ্রীয় সাস্থ্য মন্ত্রকের তৈরি বিশেষজ্ঞ কমিটি। সেই বৈঠকের পরই, জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য অক্সফোর্ড অস্ত্রাজেনেকার তৈরি ভ্যাকসিনকে অনুমতি দেওয়া হয়। এরপরই বিশেষজ্ঞ কমিটি অনুমতি দায় ভারত বায়োটেক এর ভ্যাকসিন কে। অবশেষে ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেলের তরফে অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পায়ে এই দুই ভ্যাকসিন।

অক্সফোর্ড -অস্ত্রাজেনেকার তৈরি ভ্যাকসিন ভারতে প্রস্তুত করছে সিরাম ইনস্টিটিউট। সিরাম ইনস্টিটিউট এর তৈরি এই ভ্যাকসিন “কভিসিল্ড” নামে ভারতের বাজারে আসবে। তবে অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন তৃতীয় পর্যায়ের পর ৭০% কার্যকর বলা হয়েছে। সিরাম ইনস্টিটিউট জানিয়েছে তাদের ভ্যাকসিন ৯২-৯৫% কার্যকর এবং কোরোনা ভাইরাসের দ্বারা গুরুতর ভাবে আক্রান্ত হওয়ার থেকে বাঁচাতে ১০০% কার্যকর।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

ইতিমধ্যেই জানা গেছে, ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট এর থেকে ভ্যাকসিন কিনতে চলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দক্ষিণ আফ্রিকার সাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, তারা ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট এর থেকে ১৫ লক্ষ করোনা ভ্যাকসিন কিনতে চলেছে। এর মধ্যে প্রথম দফায় ১০ লক্ষ ভ্যাকসিন পাঠানো হবে জানুয়ারিতে এবং বাকি ৫ লক্ষ ভ্যাকসিন পাঠানো হবে পরবর্তী মাসে। এছাড়াও ব্রাজিল ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট এর থেকে ২০ লক্ষ ভ্যাকসিন কিনেছে।

এবারে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট এর তৈরি করোনাভাইরাস এর বিরুদ্ধে লড়ার বিরুদ্ধে লড়ার জন্য তৈরি ভ্যাকসিন কোভিশীল্ড কিনতে চলেছে মায়ানমার। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট এর থেকে ৩০ কোটি ভ্যাকসিন কেনার জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে তারা। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে এই ভ্যাকসিন পাওয়ার প্রত্যাশা রাখছে মায়ানমার সরকার। মায়ানমারের তরফে জানানো হয়েছে এই ভ্যাকসিনটি যেহেতু তুলনামূলকভাবে অন্য ভ্যাকসিন গুলি থেকে থেকে গুলি থেকে বেশি তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যায় তাই তারা এই ভ্যাকসিনটি বেছে নিয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ভারত বায়োটকের তৈরি কোভ্যাকসিন এখনও তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে আছে। এই ভ্যাকসিনের কার্যকারীতা বিষয়ে কোনো তথ্য সামনে আসেনি। ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল ভারতের আরও একটি ভ্যাকসিন এর ছাড়পত্র দায় তৃতীয় পর্যায়ে ট্রায়ালে। জাইডাস ক্যাডিলা সংসস্থার দ্বারা প্রস্তুত ভ্যাকসিন কে, তৃতীয় পর্যায়ে ২৬০০০ ভারতীয়কে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!