এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > ভারতীয় সংবিধানকেই অবজ্ঞা, মেয়াদ ফুরোনো পুরসভায় নির্বাচন নিয়ে ঝড় তুলতে চলেছে বিজেপি

ভারতীয় সংবিধানকেই অবজ্ঞা, মেয়াদ ফুরোনো পুরসভায় নির্বাচন নিয়ে ঝড় তুলতে চলেছে বিজেপি



প্রায় বেশ কিছুদিন হয়ে গেল, রাজ্যের 18 টি পৌরসভার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। হিসেব মত, পৌরসভার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে সেখানে প্রশাসক বসানো হয়। কিন্তু নির্বাচন প্রক্রিয়াকে সম্পন্ন করাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। তবে রাজ্যের মেয়াদ উত্তীর্ণ 18 টি পৌরসভার নির্বাচন শাসক দলের ঢিলেমির জন্যই এখনও সম্পন্ন হচ্ছে না বলে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ করতে দেখা গেছে বিরোধীদের। তবে এবার লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপি ভালো ফল করার পরই সেই মেয়াদ উত্তীর্ণ পুরসভারগুলোর নির্বাচন অবিলম্বে সম্পন্ন করার জন্য দাবি তুলতে শুরু করল তারা।

সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার এই ব্যাপারে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন রাজ্য বিজেপির অন্যতম সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনি বলেন, “সংবিধানের 243 ইউ ধারায় বলা হয়েছে যে মেয়াদ শেষের পর কোনোভাবেই কোনো পুরসভাগুলি চালানো যাবে না। পুরসভার চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচনের পর প্রথম বোর্ড মিটিং থেকে পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবার আগে থেকেই নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করতে হবে। কোনো আইন এনে রাজ্য সরকার সাংবিধানিক রীতিকে ভাঙতে পারবে না। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যেভাবে গোটা ব্যবস্থাকে তছনছ করে সাংবিধানিক রীতিনীতিকে অবজ্ঞা করেছেন তাতে রাজ্যের আইনশৃংখলার ব্যর্থ ছবি ফুটে উঠেছে।”


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

পাশাপাশি মেয়াদউত্তীর্ণ রাজ্যের 18 টি পুরসভায় অবিলম্বে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্নের জন্য আগামী সপ্তাহে বিজেপির প্রতিনিধি দল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করবেন বলেও এদিন জানিয়ে দেন জয়প্রকাশ মজুমদার। তবে রাজ্য প্রশাসনের তরফে অবশ্য গেরুয়া শিবিরের এই দাবিকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয়েছে। রাজ্যের বক্তব্য, আইন মোতাবেক রাজ্য নির্বাচন কমিশন একক ভাবে পুরসভা কিংবা স্থানীয় প্রশাসনের ভোট করাতে পারে না। এক্ষেত্রে রাজ্যের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই ভোটের নির্ঘণ্ট তৈরি হয়। তাই এইভাবে বিরোধীদের তরফে দোষারোপ করা কখনই উচিত নয়।

পাশাপাশি এই মুহূর্তে রাজ্যের পুরসভার ভোট করা সম্ভব নয় বলেও মত প্রকাশ করেছেন নবান্নের শীর্ষ কর্তারা। তবে যদি রাজ্য তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকে এবং অপরদিকে গেরুয়া শিবির রাজ্যের মেয়াদোত্তীর্ণ পুরসভাগুলোর নির্বাচনের পক্ষে যদি সওয়াল করে, তাহলে শাসক-বিরোধী দ্বৈরথে ফের যে উত্তপ্ত হবে রাজ্য রাজনীতি সেই ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!