এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ঠিক হয়ে যাবে মাত্র ৫ মিনিটেই! সামনে এল বিস্ফোরক দাবি

ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ঠিক হয়ে যাবে মাত্র ৫ মিনিটেই! সামনে এল বিস্ফোরক দাবি



বিজেপি বিরোধী মহাজোট তো তৈরি হয়েছে। কিন্তু সেই মহাজোট যদি ক্ষমতায় আসে তবে কে হবেন তার প্রধানমন্ত্রী? বিভিন্ন সময়েই এই কথা বলে বিরোধী জোটকে ভেস্তে দিতে চেয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। মাঝে কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী ঘোষনা করেছিলেন যে এই মহাজোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা মায়াবতী প্রধানমন্ত্রী হলে কোনো অসুবিধে নেই। অনেকে অবশ্য সর্বভারতীয় কংগ্রেস সভাপতির এই কথায় বিরোধীতাও করে।

কিন্তু মহাজোটই যদি ক্ষমতায় না আসে তবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে এখন থেকেই এত মাথাব্যাথা কেন? বিভিন্ন মহলে সমালোচকরা যখন এই প্রশ্নই তুলছে ঠিক তখনই গত মঙ্গলবার এই বিরোধী মহাজোটেরই শরিক নেতা শরদ যাদব বলেন, “বিজেপিকেই হারানোই এখন প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। যে দল বিজেপিকে হারিয়ে বেশি আসন পাবে সেই দল থেকেই প্রধানমন্ত্রী হওয়া উচিত।”

এবার সেই শরদ যাদবের সুরেই মহাজোটের পদপ্রার্থী নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন রাষ্ট্রীয় জনতা দলের প্রধান লালুপ্রসাদ যাদব। সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন পর গত বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। আর সেখানেই বিরোধী মহাজোটের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, “আগামী লোকসভায় বিজেপির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে বিরোধী কাউকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করে দাড় করানো উচিত নয়। কেননা বিরোধী দলের সব নেতা একজোট হয়ে বসলেই পাঁচ মিনিটে বিরোধীদের প্রধানমন্ত্রী ঠিক হয়ে যাবে।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

তবে তাঁর এই মন্তব্যকে নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে বেশি জলঘোলা করতেও বারন করেন লালুপ্রসাদ যাদব। এদিন ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি দিলেও  কথা না রাখায় গেরুয়া শিবিরকেও তুলোধোনা করেন তিনি। পাশাপাশি বিরোধী জোটে আসার ব্যাপারে অনেক নেতাই যে যোগাযোগ রাখছে এদিন সেই কথাও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রীয় জনতা দলের প্রধান। শুধু তাই নয়, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার যদি ফের এই মহাজোটে সামিল হয় তাহলে তিনি কি করবেন সেই প্রসঙ্গে লালুপ্রসাদ যাদব বলেন, “একসময় যিনি মাটিতে মিশে যাব কিন্তু বিজেপিতে যোগ দেব না বলতেন এখন তিনি বিজেপিতে গেছেন। ফলে তার সাথে কি করে বোঝাপড়া করি বলুন!” রাজনৈতিক মহলের মতে, এদিন এই সাংবাদিক বৈঠকের মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন এখনই বিরোধীদের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীর ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়ার কথা বললেন তেমনই বিজেপিকে কুপোকাত করতে সেই মহাজোটকে শক্তিশালী করারও আবেদন জানালেন। সব মিলিয়ে একঢিলে দুই পাখিই মারার চেষ্টা করলেন প্রবীন রাজনীতিবিদ লালুপ্রসাদ যাদব।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!