এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > প্রাচীন বিজ্ঞানের রহস্য! আসুন জেনেনি এমন তিনটি প্রাচীন নিদর্শনের কথা যার প্রযুক্তিগত কৌশল আজও অজানা

প্রাচীন বিজ্ঞানের রহস্য! আসুন জেনেনি এমন তিনটি প্রাচীন নিদর্শনের কথা যার প্রযুক্তিগত কৌশল আজও অজানা



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত “হ্যামলেট” নাটকে হ্যমলেট হোরেশিওকে বলেছিলেন, “এই পৃথিবীতে এমন অনেক রহস্য রয়েছে, হোরেশিও,যা তোমার স্বপ্নেরও অতীত।” সত্যই তাই। পৃথিবী চিরকালই রহস্যময়। তবে সব রহস্যই যে পরাবাস্তব এসে পড়ে এমন নয়, অনেক ক্ষেত্রে বিজ্ঞান-প্রযুক্তির মতো কট্টর বস্তুবাদী জ্ঞানকে ঘিরেও দানা বাঁধে। এখন আপনাদেরকে পৃথিবীর বুকে ঘটে যাওয়া এমন তিনটি প্রাচীন প্রযুক্তিবিদ্যার নমুনা দেবো যার রহস্য আজও বিজ্ঞানীদের কাছে নেই। জানলে আমার তাক লেগে যাবে।

১. স্ট্র্যাডডিভারি ভায়োলিনস ঃ-
এই ভায়োলিন সপ্তদশ শতকে খুব বিখ্যাত ছিল। এই ভায়োলিনের নির্মাতা ছিলেন ইতালির স্ট্র্যাডডিভারি পরিবার। এই সময়কালটা ছিল ১৬৫০ থেকে ১৭৫০ সাল পর্যন্ত। সেই সময় এই ভায়োলিনগুলির মূল্য ছিল সবচেয়ে বেশি। সেই সময় দাঁড়িয়ে এতো উন্নতমানের ভায়োলিন কী ভাবে নির্মাণ করা সম্ভব হলো তা আজও জানা যায় নি৷ এটি নির্মাণের কৌশল একমাত্র জানতেন স্বয়ং এর নির্মাতা, আন্তোনিও স্ট্র্যাডডিভারি এবল তার দুই পুত্র। সম্প্রতিকাল অব্দি অনেকেই চেষ্টা করেছেন ওই রকম স্ট্র্যাডডিভারি ভায়োলিন বানাতো, কিন্তু অবাক করা ব্যাপার হলো, আজও পর্যন্ত কেউ তেমন ভায়োলিন বানাতে সক্ষম হয় নি৷ এমনকি সেটির ধারেকাছেও আসে নি! সেই স্ট্র্যাডডিভারি ভায়োলিন বানানোর কৌশল পৃথিবীর বুক থেকে চিরকালের জন্য হারিয়ে গেছে এর নির্মাতা ও তার পরিবারের মৃত্যুর সাথে সাথে।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

২. নেপান্থে ঃ-
প্রাচীন গ্রীক ও রোমান সাম্রাজ্যের কিছু প্রযুক্তিগত নিদর্শন আছে যা আমাদের আজও বিস্মিত করে। প্রাচীন গ্রীসে চিকিৎসা বিদ্যায় অনেক অবদান আছে। সেই প্রাচীন গ্রীসের এমনই একটি বিস্ময়কর জিনিস হলো নেপান্থে। এটি একটি অ্যান্টি ডিপ্রেশ্যান্ট ওষুধ। এই ওষুধের উল্লেখ আমরা “ওডিসি” গ্রন্থেও পাই। প্রাচীন মিশরীয়রাও এই ওষুধটি ব্যাবহার করতো। এই ওষুধ অনেকটা আফিমের মতো কাজ করে। কিন্তু এটি কখনোই নেশার ওষুধ ছিল না। এই নেপান্থে কি উপায়ে বা কি উপাদান দিয়ে তৈরি করা হতো তা আজও জানা সম্ভব হয় নি।

৩. কৈলাশ মন্দিরের নির্মান ঃ-
ভারতে ঔরম্গাবাদে ইলোরা গুহায় অবস্থিত এই কৈলাশ মন্দির। এই শিব মন্দির কতো বছরের পুরোনো তা নিয়ে গবেষকদের মধ্যে মতোভেদ আছে। এই মন্দিরটি কোনো পাথর জুড়ে নির্মাণ করা হয় নি। সম্পূর্ণ মন্দিরটি একটি মাত্র পাথর কেটে তৈরি! আরও অদ্ভুত ব্যাপার হলো, গুহার ভেতরে অবস্থিত এই মন্দিরটি গুহা কেটে ওপর থেকে নীচে খুঁড়তে খুঁড়তে বানানো হয়েছিল। অর্থাৎ, সব মন্দির বা ইমারত যেমন নীচ থেকে ওপরে ওঠে, কৈলাশ মন্দিরের ক্ষেত্রে তা উল্টো৷ এই মন্দিরের চূড়া প্রথমে নির্মিত হয়েছে, সব শেষে ভিত। কী কৌশলে এমন করে ওপর থেকে নীচে একটি পাথর কেটে এই বিশাল মন্দিরটি বানানো সম্ভব হলো সেই রহস্য আজও রহস্যই রয়ে গেছে!

আরও প্রচুর এমন প্রাচীন রহস্যময় প্রযুক্তির নিদর্শন ছড়িয়ে আছে পৃথিবী জুড়ে। প্রশ্ন শুধু প্রশ্নের জন্ম দেয় — উত্তর কেবল মাত্র ইতিহাসের প্রতিধ্বনি!

আপনার মতামত জানান -

ট্যাগড
Top
error: Content is protected !!