এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পদ থেকে ইস্তফা দিলেন হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা, জোর জল্পনা!

পদ থেকে ইস্তফা দিলেন হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা, জোর জল্পনা!



 

নেতারা পদ পাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকেন। কিন্তু এক্ষেত্রে যেন ব্যতিক্রমী ভূমিকা পালন করলেন শিলিগুড়ি পৌরসভার তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা রঞ্জন সরকার। কার্যত বিতর্কের মুখে পড়ে নিজের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তিনি। বস্তুত, শিলিগুড়ির হাশমিচক, এয়ারভিউ মোড় সহ বিভিন্ন রাস্তা এবং সেতুর নামকরণের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হতেই ইতিমধ্যেই তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে গোটা শহর জুড়ে। জানা যায়, এই নামকরণের দায়িত্বে ছিল শিলিগুড়ি পৌরসভার স্ট্রীট নেমিং কমিটি।

যেখানে আমন্ত্রিত সদস্য হিসেবে রাখা রাখা হয়েছিল শিলিগুড়ি পৌরসভার তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা রঞ্জন সরকারকে। আর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং রাস্তার নামকরণ পরিবর্তন হওয়ার পরেই তৃণমূলের তরফে তা নিয়ে আপত্তি তোলা হয়। ফলে সেই কমিটিতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি এবং বিরোধী দলনেতা রঞ্জন সরকার থাকায় তিনি কার্যত চাপে পড়েই এবার সেই পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হলেন বলে মনে করছে একাংশ।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

জানা গেছে, ইতিমধ্যেই এই রাস্তার নাম পরিবর্তন নিয়ে তৃণমূলের নেতা তথা পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব পৌরসভার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। ফলে নিজের দলের মন্ত্রী এই ব্যাপারে সরব হওয়ায় স্ট্রেট নেমিং কমিটির পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বিতর্ককে দূরে সরিয়ে রাখলেন রঞ্জনবাবু। সূত্রের খবর, এদিন দলীয় বৈঠকে পৌরসভার রাস্তার নামকরণ কমিটির আমন্ত্রিত সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানিয়ে দেন রঞ্জন সরকার। তবে রাস্তার নাম পরিবর্তন হওয়ার পরে এই ইস্তফা দিয়ে কি লাভ! তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে তৃণমূলের অনেকেই।

যদিও বা এই ব্যাপারে শিলিগুড়ি পৌরসভার দলনেতা তথা জেলা তৃণমূলের সভাপতি রঞ্জন সরকার বলেন, “আমি যে এই পদে ছিলাম, তা আমার জানা ছিল না। এর আগে রাস্তার নামকরণ সহ বিভিন্ন বিষয়ে পৌরসভার বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের কাছে মন্তব্য করার আগে নেতাদের আরও সতর্ক থাকতে হবে।” একইভাবে এই ব্যাপারে পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব বলেন, “বিরোধী দলনেতাকে না জানিয়ে ওই কমিটিতে তাকে আমন্ত্রিত সদস্য হিসেবে পৌরসভা রেখেছে বলে শুনেছি। এনিয়ে যা বলার বিরোধী দলনেতাই বলবেন।”

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইতিমধ্যেই শিলিগুড়ি পৌরসভার অনেক রাস্তার নাম পরিবর্তন হয়েছে। তা নিয়ে বিতর্কও শুরু হয়েছে। কিন্তু বিতর্ক তৈরি হওয়ার পর সেই স্ট্রিট নেমিং কমিটির আমন্ত্রিত সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রঞ্জনবাবু বিতর্ককে দূরে সরিয়ে রাখতে চাইলেও, বিরোধীরা যে তাকে ছাড়বে না, তা কার্যত নিশ্চিত। ফলে তৃণমূল এখন কিভাবে এই বিতর্ক থেকে নিজেদেরকে দূরে সরিয়ে রাখে! সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!