এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > হেভিওয়েট বিধায়করা বিজেপিতে, নির্বাচনের আগে দলে ভাঙন কেন? কি বলছে তৃণমূল!

হেভিওয়েট বিধায়করা বিজেপিতে, নির্বাচনের আগে দলে ভাঙন কেন? কি বলছে তৃণমূল!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – বিদ্রোহ অনেকদিন ধরেই শুরু হয়েছিল। বেশ কিছুদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়ে গিয়েছিল। আর নির্বাচনের দামামা বেজে যাওয়ার পর তা যেন ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর অনেকেই সেই প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকায় যোগাযোগ করতে শুরু করেছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে। অবশেষে সোমবার গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন চার তৃণমূল বিধায়ক।

যার মধ্যে রয়েছেন সোনালী গুহ, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, জটু লাহিড়ী এবং দীপেন্দু বিশ্বাস। কিন্তু নির্বাচনের মুখে একের পর এক বিধায়ক গেরুয়া শিবিরে যোগদান করায় রীতিমত অস্বস্তি বাড়তে শুরু করেছে ঘাসফুল শিবিরের। তবে তৃণমূলের এই নেতা নেত্রীরা বিজেপিতে যোগদান করলেও, তাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ ঘাসফুল শিবির। এদিন এই প্রসঙ্গে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সোমবার বিজেপির হেস্টিংসের কার্যালয় থেকে এই তৃণমূল বিধায়করা গেরুয়া শিবিরে যোগদান করেন। আর তারপরই এই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে দেখা যায় তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে। এদিন তিনি বলেন, “মনোনয়ন না পেয়ে অন্য দলে গিয়েছেন। তার মানে এদের কোনো নীতিবোধ ছিল না। যতক্ষণ মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল, ততক্ষণ দলে ছিলেন। যেই পেলেন না, অন্য দলে যোগ দিলেন। একে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। দেখুক এরা, বিজেপিতে টিকিট পায় কিনা।”

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

অর্থাৎ তৃণমূলের বর্ষিয়ান সাংসদ এই মন্তব্য করে বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন, এই সমস্ত বিধায়করা বিজেপিতে গেলেও, তৃণমূল তা নিয়ে মোটেই চিন্তিত নয়। পাশাপাশি তাদের নীতিবোধ বিসর্জন দিয়ে শুধুমাত্র টিকিট পাওয়ার আশায় তারা এতদিন দল করেছেন বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ করতে দেখা গেল সৌগত রায়কে। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলেছেন, সৌগতবাবুর এই কথা কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। কেননা এই চার তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে রয়েছেন।

সেদিক থেকে বিরোধী আমলে বাম শাসনে রাজনীতি করে আসার সময় তাদের সেভাবে কোনো স্বার্থ ছিল না। কিন্তু তা সত্বেও তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ত্যাগ করেননি। স্বাভাবিকভাবেই বর্তমান সময়ে দলের যখন সুদিন, তখন তাদের টিকিট দেওয়া হয়নি এবং টিকিট না দেওয়া নিয়েও তাদের সঙ্গে কোনো কথাবার্তা বলা হয়নি বলে অভিযোগ এই তৃণমূল বিধায়কদের। যার ফলে তারা শেষ পর্যন্ত গেরুয়া শিবিরে যোগদান করতে শুরু করেছেন।

তাই সৌগত রায়ের মত বর্ষীয়ান সাংসদ এই তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে প্রশ্ন তুলে কতটা সদর্থক বক্তব্য রাখলেন, তা নিয়ে অনেকেই পাল্টা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। তবে শেষ মুহূর্তে তৃণমূলের পক্ষ থেকে সৌগত রায় এই দলত্যাগী বিধায়কদের কটাক্ষ করলেও তৃণমূল যে এই ঘটনায় যথেষ্ট অস্বস্তিতে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!