এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > এই হেভিওয়েট সাংসদের সঙ্গে কি ক্রমশ দূরত্ব বাড়ছে বঙ্গ-বিজেপির! তীব্র হচ্ছে জল্পনা

এই হেভিওয়েট সাংসদের সঙ্গে কি ক্রমশ দূরত্ব বাড়ছে বঙ্গ-বিজেপির! তীব্র হচ্ছে জল্পনা



একসময় পদ্ম শিবিরে যোগ দিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মহিলা বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়ে রাজ্য সরকারের অস্বস্তিকে অনেকটাই বাড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি। বঙ্গ বিজেপি তরফেও তাকে “প্রতিবাদী” হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বেশ কিছুদিন আগে থেকেই তাকে আর বিজেপির প্রথম সারিতে দেখা যাচ্ছে না। মানুষ হারিয়ে গেলেও তার হারিয়ে যাওয়া নিয়ে একটা প্রশ্ন থাকে। এক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটাই হয়েছে।

বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কোথায় গেলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়! জানা যায়, মাস ছয়েক আগে থেকেই রাজ্য বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে শুরু করেছিল বিজেপির বর্তমান রাজ্যসভার সাংসদ রুপা গাঙ্গুলীর। 2015 সালে বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর দ্রৌপদীর হিসেবে তার যে রাজনৈতিক তেজ অনুভব করেছিল রাজ্যবাসী, তা 2016 সালের অক্টোবর মাসে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর থেকেই স্তিমিত হতে শুরু করে।

আর এরই মাঝে গোদের ওপর বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়ায় গতমাসে সেই বিজেপি সাংসদের ছেলের গাড়ি দুর্ঘটনা। যে ঘটনায় রাজ্য বিজেপির একাংশের সঙ্গে মতবিরোধ হয়েছিল রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের। আর তারপর থেকে একসময় বঙ্গ বিজেপির রাজ্য দপ্তরে প্রায়শই যাতায়াত করা রুপা গঙ্গোপাধ্যায়কে সেই ভাবে আর দলে দেখা যাচ্ছে না।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এদিন এই বিষয়ে বিজেপির এক নেতা বলেন, “উনি পার্টির দৈনন্দিন কাজের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন না। তাই পার্টিও ওনার প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে। এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির রাজনৈতিক ভিত এতটা মজবুত হয়েছে, তাতে রূপার মতো রুপোলি মুখের আর বিশেষ প্রয়োজন নেই। তবে যে সময় তিনি বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন, তাতে পার্টি তার অবদানের কথা মাথায় রাখবে।”

ওই বিজেপি নেতার আরও দাবি, সাংসদ হওয়ার পরই দিল্লিতে বেশি করে সময় দিয়েছেন রূপা গাঙ্গুলী। যার কারণে মহিলা মোর্চার সভানেত্রী থেকে তাকে সরিয়ে লকেট চট্টোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু লকেট চট্টোপাধ্যায়ও বর্তমানে সাংসদ হওয়ায় তিনি দলের যে একটি পদে রয়েছেন, তা ভুলে গেছেন। তাই ভবিষ্যতে রুপা গাঙ্গুলীর মতই লকেট চট্টোপাধ্যায়ের অবস্থা হবে বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের এই নেতার।

সত্যিই কি তাহলে বঙ্গ বিজেপি থেকে “দ্রৌপদী” হারিয়ে গেল! কিন্তু বিজেপি তাকে সরিয়ে দিল! নাকি তিনি দলের থেকে নিজেকে কিছুটা গুটিয়ে নিলেন! এদিন এই ব্যাপারে বিজেপি সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে ফোন করলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!